ভিসা প্রতারণা মোকাবিলায় নতুন সচেতনতা ক্যাম্পেইন শুরু করেছে যুক্তরাজ্য। ভিসা প্রত্যাশীদের প্রতারক দালাল ও অপরাধী চক্রের হাত থেকে সুরক্ষা দেওয়াই তাদের লক্ষ্য।
ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, প্রতারণায় জড়িত অপরাধী ও দালাল চক্র প্রতিবছর ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখো পাউন্ড হাতিয়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষ এতে আর্থিক ক্ষতি, আইনি জটিলতা এবং জীবনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।
বিশ্বব্যাপী ভিসা প্রতারণা ও অবৈধ অভিবাসন-সহায়তার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। অপরাধীরা ক্রমশ নতুন কৌশলে ভিসা প্রত্যাশীদের প্রতারণায় ফেলছে। তারা নিশ্চিত ভিসা, ভুয়া চাকরির প্রতিশ্রুতি, অথবা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে টাকা নষ্ট, ভিসা বাতিল, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং অনেক ক্ষেত্রে মানবপাচার ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।
যুক্তরাজ্য সরকারের বরাতে হাইকমিশন বলছে, ভিসা সংক্রান্ত তথ্য বা আবেদন সবসময় অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই করতে হবে। তাদের ওয়েবসাইটের ঠিকানা: www.gov.uk
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জনান, ভিসা প্রতারণা মানুষের স্বপ্ন নষ্ট করে, পরিবারকে বিপর্যস্ত করে। মানুষের উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষাকে টার্গেট করে অপরাধীরা অর্থ লুটে নেয় এবং বিপদের মুখে ঠেলে দেয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বার্তা স্পষ্ট—শুধু সরকারি চ্যানেল ব্যবহার করুন, সব পরামর্শ যাচাই করুন এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে জানান। যুক্তরাজ্য বৈধ আবেদনকারীদের স্বাগত জানায়। তবে প্রতারণার চেষ্টা করলে কঠোর সাজা, এমনকি ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও হতে পারে।’


