গত দেড় বছরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও গতিশীল করতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্কে যে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার সময় এসেছে, যোগ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা উত্তরণ পেছানোর প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের জোগান নিশ্চিত করা—সবক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে, যা সুনির্দিষ্টভাবে হাইকমিশনারের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
আগামী দিনে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পেছানোর বিষয়ে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, সেটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ভারত এ বিষয়ে সহযোগিতামূলক অবস্থানে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ববাণিজ্যে তার প্রভাব পড়বে এবং তার প্রভাব বাংলাদেশেও আসতে পারে। তবে দেশে বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত ও জোগান রয়েছে বলে জানান তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।


