ফরিদপুর-৪ আসন (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন বাদ দিয়ে সেগুলোকে ফরিদপুর-২ আসনের (নগরকান্দা ও সালথা) সঙ্গে যুক্ত করে প্রকাশিত নির্বাচন কমিশনের গেজেট কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দু’জন মনোনয়ন প্রত্যাশীসহ পাঁচ জনের করা রিটের প্রাথমিক শুনানিতে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।
তিনি জানান, সংবিধানের ১২৫(ক) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, নির্বাচনী আইনের সেকশন ৭ কেন সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না এবং গেজেট কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে আদালত রুল দিয়েছে। রুল নোটিশে ১০ দিনের মধ্যে বিবাদীদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে ভাঙ্গা উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহবুবুর রহমান দুলালসহ পাঁচ জন এ রিটটি করেছিলেন।
গত ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের পুনঃনির্ধারিত সীমানার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে গেজেট জারি করে নির্বাচন কমিশন।
সেখানে ফরিদপুর-৪ আসন (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন বাদ দিয়ে সেগুলোকে ফরিদপুর-২ আসনের (নগরকান্দা ও সালথা) সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চলমান সহিংস অবরোধ কর্মসূচির ভেতরে এই রুল জারি হলো। রোববার সড়ক ও রেলপথ অবরোধে মহাসড়কে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়।
সোমবারও বিক্ষুব্ধ জনতা সেখানে উপজেলা পরিষদের আগুন দেয় ও থানা পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর করে। তবে চলমান অবরোধ কর্মসূচির তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার ভাঙ্গায় স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল।


