ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক মেম্বার জিতু মিয়া নিহত হয়েছেন। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার বিকালে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরুতর আহত সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু হয়। নিহত জিতু মিয়া ওই গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে ও ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধরমন্ডল গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জিতু মিয়ার গোষ্ঠী এবং রমজান মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার ধরমন্ডল গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যায় জিতু মিয়া। ওই অনুষ্ঠানে জিতু মিয়া কেন উপস্থিত হলো, তা নিয়ে রমজান মিয়া গোষ্ঠীর লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। এরই জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের লোকজনদের ধারালো অস্ত্রের কোপে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, পূর্ব বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা আছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


