ম্যাচটা হাতের মুঠোতেই ছিল বাংলাদেশের। অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের ফিফটিতে জয়ের পথেই ছিল দল। কিন্তু আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুরুটা হলো ভারতের বিপক্ষে হার দিয়ে। জিম্বাবুয়ের হারারেতে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডি/এল মেথডে ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ১৪৬ রানে। ব্যাখাতীত ব্যাটিং ধসে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ২২ রানের মধ্যে।
প্রথমে ২৩৯ রানের লক্ষ্য পেলেও বাংলাদেশের ইনিংসের ১৮ তম ওভারে বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ থাকে দেড় ঘণ্টার কাছাকাছি। এরপর ডি/এল মেথডে বাংলাদেশের লক্ষ্য নেমে আসে ২৯ ওভারে ১৬৫ রানে। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ১৪৬ পর্যন্ত যেতে পারে বাংলাদেশ।
বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে রান তাড়ায় নেমে ব্যর্থ হয়েছেন ওপেনার জাওয়াদ আবরার। এক চার মেরে ফিরেছেন ইনিংসের প্রথম ওভারেই। এরপর আজিজুল হাকিম তামিমের সাথে রিফাত বেগের ৫৬ ও কালাম সিদ্দিকীর ৪৪ রানের জুটিতে ম্যাচ ফেরে বাংলাদেশ। রিফাতের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ বলে ৩৭ রানের ইনিংস।
৭২ বলে ৫১ রান করে ফুলটসে ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট দিয়ে আসেন অধিনায়ক তামিম। ইনিংস বড় করতে পারেননি শেখ পারভেজ জীবনও। সামিউন বাশিরও বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে এসেছেন ভিহান মালহোত্রাকে তুলে মারতে গিয়ে। শেষ ভরসা হয়ে থাকা রিজানও হতাশ করেছেন ৯ রানে আউট হয়ে। একাই চার উইকেট নেন ভারতের অফস্পিনার ভিহান।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে পেসার ফাহাদের তোপে ১২ রানের মধ্যেই প্রথম দুই উইকেট হারায় ভারত। এক ওভারে তার জোড়া আঘাতে ফেরেন আয়ুশ মাহাত্রে ও ভেদান্ত ত্রিবেদী। ইনিংস বড় করতে পারেননি ভিহান মালহোত্রাও। পেসার ইমনের বলে রিফাত বেগের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ব্যক্তিগত ৭ রানে।
এরপর অভিজ্ঞান কুন্ডুকে নিয়ে হাল ধরেন বৈভব সুর্যবংশী। গড়েন ৬২ রানের জুটি। যদিও এরপর ৬৭ বলে ৭২ রান করে ইমনের ডেলিভারিতে ফাহাদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ভারতের লড়াইয়ের পূঁজি আসে অভিজ্ঞানের সাথে কনিষ্ক চৌহানের ৫৪ রানের জুটিতে। যদিও ফাহাদের চতুর্থ শিকার হয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ৮০ রানের ইনিংস খেলে ফিরতে হয় অভিজ্ঞানকে।
বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার ফাহাদ নিজের প্রথম ফাইফার পূর্ণ করেছেন দীপেশকে ফিরিয়ে। তার সাথে দুটি করে উইকেট নেন ইমন ও অধিনায়ক তামিম।


