প্রথমার্ধের নিষ্প্রাণ ও ছন্নছাড়া ভাব কাটিয়ে দ্বিতীয়র্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে পানামাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘এল’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে পা রাখল টমাস টুখেলের দল।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর বিরতি থেকে ফিরে খোলস ছেড়ে বের হয় ইংলিশরা। ম্যাচের অচলাবস্থা ভাঙেন জুড বেলিংহাম। এই গোলটি ইংল্যান্ড শিবিরের সব স্নায়ুচাপ দূর করে দেয়। গোল করার ঠিক কয়েক মিনিট পর এই মিডফিল্ডার বনে যান অ্যাসিস্ট দাতা। উইং থেকে তার বাড়ানো এক নিখুঁত ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে নিজের ট্রেডমার্ক হেডে চমৎকার গোল করেন হ্যারি কেইন।
এই গোলটির মাধ্যমে আরেকটি অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন কেইন। বিশ্বকাপে গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে এখন ১২ গোল নিয়ে বিশ্বমঞ্চে ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন তিনি।
দুই গোল হজম করার পর ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল পানামা। ইনজুরি টাইমে ইসমায়েল দিয়াজের পাস থেকে সেসিলিও ওয়াটারম্যান ফাজার্দো গোল করে ইংলিশ কিপার জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করলে উল্লাসে মেতে ওঠে তারা। তবে লাইন্সম্যানের অফসাইডের পতাকা সেই আনন্দ কেড়ে নেয় এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম ব্যবধানের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ানোর আরও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল ইংল্যান্ড; যার মধ্যে মার্কাস রাশফোর্ড ব্যাক-পোস্টে একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। তবে প্রথমার্ধের পর করা এই দুই গোলই পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের রাউন্ডে গেল ইংল্যান্ড, যা তাদের নকআউট পর্বে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিল। টুখেলের শিষ্যরা এখন শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে সেনেগাল অথবা ডেমোক্রাতিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি)।


