বিশ্বকাপ ফাইনাল: চবিতে নিরাপত্তা ইস্যুতে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি

বিশ্বকাপ ফাইনাল: চবিতে নিরাপত্তা ইস্যুতে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন ও সার্বিক নিরাপত্তা ইস্যুতে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির আভাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

নিরাপত্তা বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘ফাইনাল ম্যাচের দিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন বা সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। উপাচার্য মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনার পর বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।’

সার্বিক নিরাপত্তা এবং প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রক্টরিয়াল বডি সর্বদা সজাগ রয়েছে এবং ফাইনালের দিনও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা বজায় থাকবে।’

আরও পড়ুন

প্রজ্ঞাপন জারি করে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। উপাচার্য স্যারের সঙ্গে আলাপ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে প্রাথমিকভাবে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ রাখার একটি পরিকল্পনা রয়েছে, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তন করা যেতে হতে পারে।’

​এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার হাসান মিয়া জানান, বিষয়টি মূলত প্রক্টরিয়াল বডির এখতিয়ারভুক্ত। তিনি প্রক্টর মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করবেন এবং প্রক্টরিয়াল বডির মাধ্যমেই সার্বিক ব্যবস্থা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।

​উল্লেখ্য, ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে বড় পর্দায় খেলা দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর সমাগম ঘটে। এই সুযোগে ক্যাম্পাস এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ বাড়ার আশঙ্কা থাকে, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad