মেক্সিকোর কোচ জাভিয়ের অ্যাগুইরে জানিয়েছেন, তার দল বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ২-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জয়ের আগে সামান্য স্টেজ ফ্রাইটের (মঞ্চভীতি) মুখোমুখি হয়েছিল।
এর আগে কখনোই মেক্সিকো বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ জিততে পারেনি- সাতবার অংশগ্রহণ করে পাঁচবার হেরেছে এবং দুইবার ড্র করেছে। তবে অ্যাগুইরের দল এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পুরো সময়ই নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং তিনটি পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ এ থেকে নকআউট রাউন্ডে যাওয়ার পথে দৃঢ় অবস্থানে এসেছে।
অ্যাগুইরে জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের রণপরিকল্পনার সময় কিছু নার্ভস (স্নায়বিক চাপ) সামলাতে হয়েছে।
‘যখন বিশ্বকাপ শুরু হয়, স্বাভাবিকভাবেই পা কাঁপতে পারে,’ অ্যাগুইরে বলেন। ‘গত ২৫ বছরে কেউ ক্রীড়াঙ্গণে এমন কষ্ট পায়নি, কিন্তু আজ তিনজনের পা কেঁপে উঠেছিল। আমরা স্টেডিয়াম দেখার সময় একটু স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম, একটু স্টেজ ফ্রাইট হয়েছিল। তবে কোনো সমস্যায় পড়িনি। চাইলে চারটি গোলও করতে পারতাম।’
খেলার শেষ মুহূর্তে কিছু স্থানীয় ভক্ত লাল কার্ডপ্রাপ্তদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে মহাদেশীয় হোস্টদের বুজ (তিরস্কার) করে।
আগুইরে বলেন, তিনি বুজ শুনতে পাননি, তবে ভক্তদের রাগ প্রকাশের অধিকার আছে।
‘আমি বুজ শুনিনি। তবে এটি ৪-০ হতে পারত। ২-০ খুব বেশি নয়। আমরা তিন পয়েন্ট পেয়েছি, যা অসাধারণ। যদি কেউ বুজ দেয়, আমাদের খেলোয়াড়দের দায়িত্ব তা প্রতিরোধ করা। যদিও তা আমাদের ওপর প্রভাব ফেলেনি।’
এখন পরবর্তী ম্যাচের দিক নজর মেক্সিকোর। আগুইরে বলেন, ‘আমরা গ্রুপ জয় করার জন্য অতি উৎসাহী নই। আজকের মূল লক্ষ্য কোরিয়া। গ্রুপে অবস্থান আমাদের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের লক্ষ্য ধাপে ধাপে এগোনো এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।’
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস প্রথম হাফে স্পেপেলো সিথোলের লাল কার্ড নিয়ে অভিযোগ করেননি, তবে খেলার শেষের থেম্বা ঝওনের লাল কার্ড নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
‘প্রথম লাল কার্ড নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই, কিন্তু দ্বিতীয়টি যে কার্ড দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি একমত নই। তবে দুঃখজনকভাবে আমাদের শেষ করতে হলো নয়জন খেলোয়াড় নিয়ে। আমি মনে করি, আমাদের দল ভাল খেলে। খেলার কিছু সময়ে মেক্সিকো হতাশ ছিল, তারা জায়গা খুঁজে পায়নি। তবে আমাদের পরবর্তী ম্যাচে আরও ভালো করার চেষ্টা করতে হবে।’


