দেশের পাঁচ কোটি শিশু শিশুকে টাইফয়েড টিকার আওতায় আনবে সরকার। আগামী রোববার থেকে শুরু হবে এই কার্যক্রম। দেশের সব স্কুল এবং টিকাদান কেন্দ্রে যা চলবে একযোগে।
বৃহস্পতিবার বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই টিকা দিচ্ছে। এ কাজে কেউ টাকা নিতে পারবে না। টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সাইদুর রহমান বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় টিকাদান টিম অবস্থান করবে। প্রতিটি স্কুলে এই কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে।
সচিব জানান, সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে পথ শিশুদেরও টিকার আওতায় আনা হবে। কেউ বাদ পড়বে না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম চলবে ১২ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। পরবর্তী পর্যায়ে ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।’
তিনি আরও জানান, টাইফয়েডের এই টিকায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই এটি শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত বলে টিকা নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই।
মহাপরিচালক বলেন, সারা দেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি শিশু টিকা দেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে। তবে রেজিস্ট্রেশন না করলেও, টিকাদান কেন্দ্রে গেলে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের যেকোনো শিশু টিকা নিতে পারবে। সেখানে ম্যানুয়ালি রেজিস্ট্রেশনের সুযোগও থাকবে।
এসময় সারাদেশে স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলন স্থগিতের প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবি ২০১১ সালের। তারপরও আমরা তাদের প্রতি সহনশীলতা দেখিয়েছি। আশা করা যায়, সকলের সহযোগিতায় টিকা কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হবে।’


