নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে দলের বিদ্রোহীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন, নয়তো দল ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, ‘মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়নি। আমরা আহ্বান জানিয়েছি, দলের সিদ্ধান্তের প্রতি যেন তারা শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। আমরা আশা করছি, যে তারা প্রত্যাহার করবেন। অনেকে অলরেডি প্রত্যাহার করার কথা জানিয়েছেন। সেজন্য আমি মনে করি যে, প্রত্যাহার করার সময়ের মধ্যে এই পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়ে যাবে। নয়তো দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’
শুক্রবার বিকালে শেরেবাংলা নগরে দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ওপর চিত্র প্রদর্শনীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দলের মধ্যে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যারা প্রার্থী হয়েছে সেটা দল দেখছে। আমাদের মত এত বড় দলে যোগ্য প্রার্থী প্রচুর। সেখানে অনেকেই দলের সিদ্ধান্ত মনে করেছে আর কি তাকে যদি মনোনীত করা হতো তাহলে আরো ভালো হতো। তারা সেজন্য চেষ্টা করছে।’
এর আগে, ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কর্মরত বগুড়াবাসীদের নিয়ে গঠিত ‘বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি (বিএমসিএস)’ উদ্যোগে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনকর্মের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি প্রদর্শনী স্থল ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময়ে বিএমসিএসের সভাপতি মারুফা রহমান, সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান প্রসঙ্গে ‘মায়ের পথে তিনি কাজ শুরু করেছেন’ উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘খালেদা জিয়া তারেক রহমানকে রেখে গেছেন, যিনি বাংলাদেশের এখন অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং রাজনীতির মস্ত বড় একজন অংশীদার।’
নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে একটি কমিটি কাজ করছে। আমার ধারণা খুব শিগগির হবে।’
পরে ‘বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি’র সদস্যদের নিয়ে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন নজরুল ইসলাম খান।


