আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষা রোববার শেষ হয়েছে। এই পরীক্ষাটি ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। অনিবার্য কারণে তা স্থগিত করে পরীক্ষা গ্রহণের নতুন তারিখ ধার্য করে বার কাউন্সিল। সেই অনুযায়ী রোববার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
এর আগে, ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ দিনব্যাপী মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার (জেলা ও দায়রা জজ) এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তাতে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর অনুযায়ী ভাইভার দিন ও সময় বিন্যাস করা হয়।
২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৭ হাজার ৯১৭ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২৮ জুন।
আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে একজন পরীক্ষার্থীকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর কমপক্ষে ১০ বছর পেশায় রয়েছেন এমন একজন সিনিয়রের অধীনে পরীক্ষার্থীকে ইন্টিমেশন জমা দিতে হয়।
ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার পর ছয় মাস পূর্ণ হলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। সনদ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে আইন পেশায় প্রবেশ ঘটে। আইনজীবী হিসেবে সনদ প্রদানসহ পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।


