বাগেরহাটে সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা

বাগেরহাটে সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা
নিহত এ এস এম হায়াত উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশে সাংবাদিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্র আরও একবার আলোচনায় এসেছে বাগেরহাটের সাম্প্রতিক ঘটনায়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট শহরের হাড়িখালি এলাকায় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক এ এস এম হায়াত উদ্দিনকে (৪২) কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হায়াত উদ্দিন সন্ধ্যার দিকে হাড়িখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। ঠিক তখনই দুটি মোটরসাইকেলে করে চার-পাঁচজন যুবক এসে অতর্কিতে তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে প্রথমে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান, কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু ঘটে তার।

আরও পড়ুন

হায়াত উদ্দিন শুধু সাংবাদিকই ছিলেন না, স্থানীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর বিএনপির সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি, যদিও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন। এর আগে, তিনি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হায়াত উদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ইস্যুতে সরব ছিলেন। মাদক ব্যবসা, ঠিকাদারি অনিয়ম, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন। এসব বিষয়ে নিয়মিতভাবে তিনি সমালোচনামূলক পোস্ট করতেন। তবে তার বিরুদ্ধেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে এবং অতীতে তার ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছিল।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ-উল-হাসান বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত শত্রুতা বা রাজনৈতিক বিরোধ এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad