বাংলাদেশ-চীন যৌথ সার্জারি ক্লিনিক স্থাপনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বাংলাদেশ-চীন যৌথ সার্জারি ক্লিনিক স্থাপনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে যৌথ সার্জারি ক্লিনিক স্থাপনের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘এই উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন এবং স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও সার্জিক্যাল উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।’

এদিকে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরকার উদ্বিগ্ন। এ পরিস্থিতিতে প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বড় হাসপাতালগুলোতে অস্ত্রসহ ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।

টিকা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে আগামী ছয় মাসের টিকা মজুত রয়েছে এবং এ সময়ের মধ্যে টিকা সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না। যক্ষাসহ কোনো টিকার সংকট নেই বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট দূর করতে শিগগিরই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং চীনের কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে যৌথভাবে সার্জারি ক্লিনিক পরিচালনা, প্রশিক্ষণ, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ এবং চিকিৎসা সেবায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে। প্রাথমিকভাবে ইউরোলজিক্যাল জটিল সার্জারি দিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জটিল সার্জারিও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘চীন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউর উপাচার্য এফ এম সিদ্দিকী বলেন, এই সমঝোতা দেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে জটিল সার্জারির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেনসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad