বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের এক পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গোপালগঞ্জে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
শুক্রবার দুপুরে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল এসব তথ্য জানান।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৬ এপ্রিল রাতে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরদিন তার বাবা গৌরনদী থানায় জিডি করেন। শিশুটি পরে বাবাকে ফোন করে নিজ অবস্থান গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর এলাকায় জানায়। অভিযোগ, প্রতিবেশী কমল বাড়ৈ তাকে সেখানে নিয়ে গিয়ে আত্মীয় ভগরত ঢালীর সঙ্গে বিয়ে দেন। স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে ‘ফুসলিয়ে’ শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়।
অভিযুক্ত কমল বাড়ৈ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন, শিশুটি নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে।
ওসি তারিক হাসান জানান, শিশুটি বর্তমানে থানায় রয়েছে। তার ডাক্তারি পরীক্ষা ও অন্যান্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনার পাঁচজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলছে।


