ঢাকার গুলশানে নেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়ার মরদেহ। বুধবার সকাল ৯টায় দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালের মর্গ থেকে তার মরদেহ বহনকারী গাড়ি গুলশানের পথে রওনা হয়।
শেষবারের মতো তার মরদেহ গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় নেওয়ার কথা থাকলেও পরে তা তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখানেই নেতাকর্মী ও স্বজনেরা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন।
এসময় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থায় লাল-সবুজ পতাকায় মোড়া মরদেহ বহনকারী গাড়িটি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী গাড়ি বের হয়ে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কুড়িল ফ্লাইওভার দিয়ে নৌবাহিনীর সদর দপ্তরের সামনে দিয়ে যাবে গুলশানের বাসভবনে।
সেখান থেকে গুলশান-২ হয়ে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ থেকে বিমানবন্দর সড়ক দিয়ে মহাখালী ফ্লাইওভার ব্যবহার করে জাহাঙ্গীর গেট দিয়ে বিজয় সরণি থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে বামে মোড় নিয়ে যাবে জাতীয় সংসদ ভবনে। সেখানে ৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে মরদেহবাহী গাড়ি পৌঁছবে দক্ষিণ প্লাজায়।
পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা বুধবার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। তার নামাজে জানাজা পড়াবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মাওলানা আব্দুল মালেক।
পরে সংসদের উত্তর পাশে চন্দ্রিমা উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল সাড়ে ৩টায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে।
মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।


