প্রাণ-আরএফএল ট্রেনিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তা

প্রাণ-আরএফএল ট্রেনিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তা
গাজীপুরে প্রাণ-আরএফএল ট্রেনিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তা ডিরেক্টর জ্যঁ পেম। ছবি: সৌজন্যে
Advertisement
Advertisement

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এন্টারপ্রাইজ-বেজড ট্রেনিং কার্যক্রম পরিদর্শনে গাজীপুরে প্রাণ-আরএফএল ফ্যাক্টরি ও ট্রেনিং সেন্টার পরিদর্শন করেছেন বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জ্যঁ পেম।

বাংলাদেশ এগ্রো-প্রোসেসর অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে প্রাণ-আরএফএল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কর্তৃক যুব সমাজকে ফ্যাক্টরি পরিবেশে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রশিক্ষণ শেষে নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (অ্যাসেট) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ফাতেমা জাহান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মো. হাসান মাহমুদ এবং অ্যাসেট প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্রনাথ মাহাত উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বব্যাংক দলের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও অ্যাসেট প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার তাসমিনা রহমান এবং এডুকেশন স্পেশালিস্ট ফারজানা শামস ও জুলফিকার রহমান।

এ ছাড়া বাংলাদেশ এগ্রো-প্রোসেসর অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি কেএমএ সালাম, প্রাণ-এমএএল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাইফুল ইসলাম, ফ্যাক্টরি প্রধান জাকিরুল ইসলাম এবং ট্রেনিং কোঅর্ডিনেটর ইমাম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় জ্যঁ পেম অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থী এবং ওই ফ্যাক্টরিতে কর্মরত প্রাক্তন প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আরও পড়ুন

তিনি প্রশিক্ষণের মান, ভাতা প্রাপ্তির প্রভাব এবং কর্মসংস্থানের হার সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এন্টারপ্রাইজ-বেজড ট্রেনিং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে কার্যকর পদ্ধতি উল্লেখ করে অ্যাসেট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান বলেন, ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের এই সময়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ যত বেশি দেওয়া যায়, ততই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।’

এ সময় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ফাতেমা জাহান এন্টারপ্রাইজ-বেজড ট্রেনিং কার্যক্রমের সংখ্যা ও মেয়াদ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়িত অ্যাসেট প্রকল্পের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে প্রায় ১০ লাখ তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন পেশা ও মেয়াদে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশে সহায়তা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ এগ্রো-প্রোসেসর অ্যাসোসিয়েশনসহ ৩৩টি ইন্ডাস্ট্রি পার্টনারের আওতায় এবং প্রাণ-আরএফএলসহ প্রায় এক হাজার ইন্ডাস্ট্রির ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ জনকে এন্টারপ্রাইজ-বেজড ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর