ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় হাদির আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, কিছু দুর্বৃত্ত চক্র পরিকল্পিতভাবে দেশব্যাপী খুন, জখম চালাচ্ছে। কোন সুদুরপ্রসারী নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্যই এই রক্তপাত। গণতন্ত্র ও দেশের যারা শত্রু তারাই শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করার পর আজ সিঙ্গাপুরে তার মৃত্যু হয়।’
এই তরুণ রাজনীতিকের হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এটি একটি চক্রান্তমূলক রাজনৈতিক হত্যা। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর ষড়যন্ত্রকারি দুর্বৃত্তরা আবারো দেশে দু:শাসন কায়েমের জন্য রক্ত ঝরাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারী দুষ্কৃতকারিরা দেশকে অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। গণতন্ত্র ধ্বংস এবং ভোট ও নির্বাচনকে বানচাল করতেই শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা তারই বহি:প্রকাশ। ‘
‘এসব দুষ্কৃতকারিদের কঠোর হস্তে দমন করতে না পারলে দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখোমুখি দাঁড়াবে। ষড়যন্ত্রকারীরা ওঁৎ পেতে বসে রয়েছে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে ফায়দা লুটতে। সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই রক্তপিপাসু সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে হবে’, বলেন তিনি।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান হাদির মৃত্যু হয়।
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। পাশের একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে অটোরিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে।


