মৌলভীবাজার সফরে আগামী ১৭ জুন আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গল ও রাজনগরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সম্ভাব্য ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রিপন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মো. আব্দুল মুকিত, রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম শেলুন, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্বাস আলী মাস্টার, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিএনপির অন্যান্য নেতারা।
জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। আজ সকালে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও মির্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করা হয়। পরে দুপুরে রাজনগর উপজেলা চত্বর এবং রাজনগর ডিগ্রি কলেজ মাঠ ঘুরে দেখা হয়।
তিনি বলেন, আগামী ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা ও শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করতে পারেন। সেই লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ভেন্যু নির্বাচন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শনের পর নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির বাইরে অন্য কোনো কর্মসূচি থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমার জানা মতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিই মূল আয়োজন। তবে পরবর্তীতে সরকারি পর্যায় থেকে নতুন কোনো কর্মসূচি যুক্ত হলে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’
এদিকে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রিপন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজারবাসীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি রয়েছে। আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রীর সফরে জেলার প্রাণের দাবি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, শমশেরনগর বিমানবন্দর চালু ও আধুনিকায়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি ও হাওরাঞ্চলের উন্নয়নসহ বিভিন্ন জনদাবির বিষয় গুরুত্ব পাবে।’
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।


