ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭২ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন এবং ১ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।
এর মাধ্যমে পাঁচ দিনের শুনানিতে মোট ২৭৫ জন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ খুলে গেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
বুধবার নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি হয়। পরে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, বুধবার নির্বাচন আপিল ট্রাইব্যুনালে মোট ১০০টি আবেদন শুনানির জন্য উপস্থাপিত হয়। শুনানি শেষে কমিশন ৭৩টি আবেদন মঞ্জুর করেছে, ১৭টি আবেদন নামঞ্জুর করেছে এবং বাকি ১০টি আবেদন পরবর্তী সময়ে নিষ্পত্তির জন্য মুলতবি রাখা হয়েছে।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বে বাতিল হওয়া ৭২ জন প্রার্থী আবার নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় ফিরেছেন। অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে পূর্বে বৈধ থাকা প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল মঞ্জুর হওয়ায় তাদের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। ইসি গত পাঁচ দিনে মোট ৩৮০টি আপিল শুনানি করেছে। এর মধ্যে ২৭৭টি মঞ্জুর করা হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার আরও ১০০টি আপিল শুনানির কথা রয়েছে। আগামী ১৮ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৬৪৫টি আপিল নিষ্পত্তির লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান ইসি সচিব।
এদিকে, বুধবার প্রার্থিতা বৈধতা নিয়ে চারটি আপিলের শুনানি হয়। এর মধ্যে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদন খারিজ করেছে ইসি। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থিতা বহাল থাকছে।
কুমিল্লা-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ রিটার্নিং কর্মকর্তার যাচাই-বাছাইয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। আবেদনে সাবেক সংসদ সদস্য আমিন উর রশিদ অভিযোগ করেন, মনিরুল হক চৌধুরী তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় ব্যাংক ঋণ ও স্ত্রীর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
অন্যদিকে, দিনাজপুর-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ ১৭ জানুয়ারি। এ ছাড়া, রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামানের মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে করা আরেকটি আপিল আবেদন ১৭ জানুয়ারি নিষ্পত্তির জন্য মুলতবি রেখেছে ইসি। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ জেড এম রেজওয়ানুল হক রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে এ আপিল করেন। আবেদনে তিনি দাবি করেন, কামরুজ্জামানের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে এবং তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের কোনো প্রমাণপত্র দাখিল করেননি।
এ বিষয়ে কামরুজ্জামানের আইনজীবী ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি প্রার্থী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন—এমন তথ্য মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। এ কারণে সংবিধানে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এ ছাড়া কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিনের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে যে আপিল করেছিলেন, তা কমিশন খারিজ করেছে। ফলে আবদুল মতিনের প্রার্থিতা বহাল থাকছে।
অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী শেফালি বেগমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে জাতীয় পার্টি প্রার্থী কে এম মন্ডলের করা আপিল মঞ্জুর করেছে ইসি। ফলে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে শেফালি বেগমের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে দেশের ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী গত ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩টি মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন।
আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন যারা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান, গাইবান্ধা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ আকন্দ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির বরগুনা-২ আসনের মো. সোলায়মান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী প্রমোদ বরন বড়ুয়া, নোয়াখালী-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ ইউনুছ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ঢাকা-১৪ এর প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন, নোয়াখালী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ আহমেদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী কল্লোল বনিক, জাতীয় পার্টির রাজশাহী-৪ আসনের প্রার্থী মো. ফজলুল হক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি, ঢাকা-৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনির হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম খান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী মো. আকতার হোসেন, ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গোলাম কবীর মিয়া, গাইবান্ধা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোসা. ছালমা আক্তার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কুমিল্লা-৬ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী মো. আ. করিম, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) কুমিল্লা-৭ আসনের প্রার্থী সজল কুমার কর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নীলফামারি-৩ আসনের প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন সরকার, সিলেট-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম, ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, জামালপুর-০২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা-৩ আসনের প্রার্থী মো. ওয়েজ কুরনী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নড়াইল-১ আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল আজীজ, জয়পুরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবিকুন্নাহার (শিখা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের টাঙ্গাইল-৫ আসনের প্রার্থী খন্দকার জাকির হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের টাঙ্গাইল-৪ আসনের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের টাঙ্গাইল-১ আসনের প্রার্থী মো. হারুন অর রশীদ, চট্টগ্রাম-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আরমান আলী, জাতীয় পার্টির চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের টাঙ্গাইল-৭ এ টি এম রেজাউল করিম আল রাজী, টাঙ্গাইল-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসেন সাগর, গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ-৩ আসনের প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজীপুর-৪ আসনের প্রার্থী মো. কাজিম উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির লালমনিরহাট-১ আসনের প্রার্থী মো. শুভ আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যশোর-৩ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর সরফত আলী সপু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নোয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মমিন আলী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের ফেনী-২ আসনের প্রার্থী তাহেরুল ইসলাম, গনতন্ত্রী পার্টির কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী দিলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া, ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এ এম মুজাহিদ বেগ, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির ঢাকা-১৪ আসনের প্রার্থী মো. লিটন, ময়মনসিংহ-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুশফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাইবান্ধা-১ আসনের প্রার্থী মো. রমজান আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী-৫ আসনের প্রার্থী মো. রুহুল আমিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির কুষ্টিয়া-১ আসনের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী-৪ আসনের প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম খান, লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী মো. রেজাউল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ফেনী-২ আসনের প্রার্থী মো. হারুনুর রশীদ ভূঞা, ঝালকাঠি-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গোলাম আজম, রংপুর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার মুকিত আল মাহমুদ, লালমনিরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সিহাব উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীয়তপুর-২ আসনের প্রার্থী ইমরান হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজবাড়ী-২ আসনের প্রার্থী মোহা. আব্দুল মালেক, চট্টগ্রাম-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির, লক্ষীপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যশোর-৬ আসনের প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের কিশোরগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন, খেলাফত মজলিসের ময়মনসিংহ-৭ আসনের প্রার্থী আ. কুদ্দুস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের খাগড়াছড়ি আসনের প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন মিয়াজি, ময়মনসিংহ-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর মাহমুদ, নওগাঁ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজওয়ান আরেফিন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী কামরুল হাসান নাসিম, টাঙ্গাইল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলাম এবং গণফোরামের চাঁদপুর-৩ আসনের প্রার্থী সেলিম আকবরের।
আপিল নামঞ্জুর যাদের
বাংলাদেশ লেবার পার্টির ময়মনসিংহ-১ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ রাশেদুল হক, রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আল-সাআদ, মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল আলী বেপারী, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির নারায়নগঞ্জ-২ এবং ঢাকা-১০ এই দুটি আসনের প্রার্থী মো. আবু হানিফ হৃদয়, জনতার দলের সিরাজগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী মো. সোহেল রানা, ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম এম শহীদুজ্জামান কোরেশী, নওগাঁ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সোহরাব হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, জাতীয় পার্টির খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ফেনী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দীন ভূঞা, নড়াইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাকিব হাসান এবং খুলনা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত সিদ্দিকের।
প্রার্থিতা গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিলের ফল
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. সেলিম ভূঁইয়া আপীল করেছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে, তার আপীল নামঞ্জুর হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মনোনয়নে কুমিল্লা-৪ আসনে দাঁড়ানো মোছা. শেফালী বেগমের মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন একই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবং তার স্বামী কে এম ফজলুল মন্ডল, তার আপীল মঞ্জুর হওয়ায় শেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ আসনটিতে বিএনপির মনোনয়নে দাঁড়ানো মো. মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়নের বৈধতা বাতিল চেয়ে আপীল করেছিলেন তার আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।
প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা আপিল পেন্ডিং
দিনাজপুর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ জেড এম রেজওয়ানুল হক বিএনপির মনোনয়নে দাঁড়ানো এ কে এম কামরুজ্জামানের মনোনয়নের বৈধতার বিরুদ্ধে আপীল করেছিলেন। মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী একেএম মোয়াজ্জেম হোসেন, ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দীন আহম্মদ, গণঅধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী রবিউল হাসান, ময়মনসিংহ-৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নাল আবদীন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী আব্দুল মোমেন চৌধুরী, নড়াইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুকেশ সাহা আনন্দ এবং বরগুনা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামীমের।


