ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র ও আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সূচিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে গণতন্ত্রের উত্তরণে সহায়ক হবে।
বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি মনে করে, এই নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচনকে সফল করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এবং একটি কার্যকর জাতীয় সংসদ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি সব রাজনৈতিক দল ও জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে।’
নির্বাচন আয়োজন তিন মাসের মধ্যে সম্ভব জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৯৯১ সালে একটি ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের পর মাত্র তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এখন সেই নির্বাচন আরও বাস্তবসম্মত, কারণ জনগণ এটি চায়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা– বিএনপি এবং পুরো জাতি মনে করি, দ্রুত নির্বাচনই একমাত্র পথ, যার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরা সম্ভব।’
নির্বাচন পরিচালনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আস্থার কথা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রফেসর ইউনূস এখন পর্যন্ত যা করেছেন, তাতে বোঝা যায় তিনি কখনও এমন কিছু করবেন না, যাতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘গতকালের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্বাচিত জাতীয় সংসদই সংবিধানের যাবতীয় সংস্কার ও সংশোধনী বাস্তবায়ন করবে। এটাই হচ্ছে বৈধ, আইনসম্মত এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।’


