জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা রক্ষা এবং নিরাপদ রাষ্ট্র গঠন করাই এখন তার মূল দায়িত্ব বলে মনে করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানী বাজারসংলগ্ন মাঠে আয়োজিত ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথাগুলো বলেন। এটি তারই আসন, অর্থাৎ এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপির লক্ষ্য এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করা, যেখানে সব নাগরিক দিন–রাত যেকোনো সময় নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন এবং পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারবেন।’
‘একই সঙ্গে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী কিংবা শ্রমজীবী—সবাই যেন নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।’
গত ১৬ বছর দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল অভিযোগ করে বিএনপির প্রধান বলেন, ‘এ সময়ে বহু মানুষ হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা রক্ষা করা এবং নিরাপদ রাষ্ট্র গঠন করাই এখন প্রধান দায়িত্ব।’
নির্বাচন সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কিন্তু একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পত্রিকার পাতায় আমরা সেই খবর দেখেছি। বিভিন্নভাবে তাদের লোকজন মানুষকে গিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে মা-বোনদেরকে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যেই প্রতিশ্রুতিগুলো বায়বীয়।’
নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা জরুরি বলেও মত দেন তিনি। এ লক্ষ্যে গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।


