নবীন চিকিৎসকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের শেখা ও গবেষণায় মনোযোগী হওয়া জরুরি।
রোববার সকালে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের ৮১ শতাংশ মনে করেন রাজনীতি তাদের শিক্ষায় ব্যাঘাত ঘটায়।
তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশে বলেন, তাদেরকে রাজনীতির বিষয়ে চাপ দেবেন না। কীভাবে গবেষণায় মনোযোগ বাড়ানো যায় সে ব্যবস্থা করবেন।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসায় শেখার কোনো শেষ নেই এবং পেশাগত জ্ঞান ও মানবিকতা মিলিয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।
তার ভাষায়, রোগীদের প্রতি মমত্ববোধ দিয়ে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। রোগীদের বিদেশে যেতে না হয় সেভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।’
এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়র ৬৬ একর প্রকল্প প্রস্তাবসহ মলিকুলার ল্যাবরেটরি, আধুনিক লাইব্রেরি ও রেসিডেন্টদের আবাসিক হোস্টেল প্রতিষ্ঠায় সহায়তার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এম এ মুহিত বলেন, সরকার জনসাধারণের জন্য মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চায় এবং নবাগত রেসিডেন্টরা এ লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
তিনি বলেন, গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিকস ব্যবহারের জ্ঞানও জরুরি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মো. শাহিনুল আলম জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মূল কাজ দেশের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া।
তিনি বলেন, প্রতি বছর বহু রোগী চিকিৎসাব্যয়ের কারণে দারিদ্রসীমার নিচে চলে যায়। তাই কম খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা কীভাবে নিশ্চিত করা যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশর সভাপতি হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। নবাগত রেসিডেন্টদের শপথবাক্য পাঠ করান ভাইস চ্যান্সেলর মো. শাহিনুল আলম।


