২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত নতুন পাঠ্যরইয়ের সফটকপি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর ওয়েবসাইটে (www.nctb.gov.bd) আপলোড করা হয়েছে।
এর ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, ক্ষূদ্র নৃগোষ্ঠী, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বাংলা ও ইরেজি ৬৪৭টি ভার্সনের নতুন পাঠ্যবইয়ের পিডিএফ ভার্সন পাওয়া যাচ্ছে।
রোববার শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর রফিকুল আবরার এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
রাজধানীর মতিঝিলের এনসিটিবি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সন অবমুক্ত করা হয়।
নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক ইতোমধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি দেশের সব বিদ্যালয়ের শিশুরা নতুন বই হাতে পাবে।
তবে মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল (ভোকেশনাল) ও কারিগরি স্তরের পাঠ্যপুস্তকের প্রায় ৮০ শতাংশ মুদ্রণ ও প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাই ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সব বই বছরের প্রথম দিন হাতে পাবে না। তারা শুধু কয়েকটি মৌলিক বই হাতে পাবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


