নওগাঁর বদলগাছীতে জমির আইল নিয়ে বিরোধের জেরে এক ইউনিয়ন যুবদল নেতার বাম হাতের কব্জি কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত ওই নেতা ও তার মা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার মামলায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার বিকালে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত হাসান রমন (৪২) জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মথুরাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি।
মামলার আসামিরা হলেন একই গ্রামের মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী আমেনা বেগম। স্থানীয় সূত্রের দাবি, মিজানুর রহমান ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং আমেনা বেগম একই ওয়ার্ডের সভানেত্রী।
স্থানীয়দের জানায়, জমির আইল কাটা নিয়ে হাসান রমনের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় মিজানুর রহমান ধারালো হাসুয়া দিয়ে হাসান রমনের বাম হাতে কোপ দিলে তাঁর কব্জি গুরুতর জখম হয়। ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলে হাসান রমনের মা বিউটি বেগমও হামলার শিকার হন। পরে আহত দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলার বাদী ও আহতের বাবা দুদু মিয়া অভিযোগ করেন, জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ছেলে ও স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিজানুর রহমান বলেন, জমির আইল কাটাকে কেন্দ্র করে হাসান রমনসহ কয়েকজন তার বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় তার হাতে থাকা ঘাস কাটার হাসুয়া নিয়ে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে হাসান রমনের হাতের কব্জি কেটে যায়।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি চৌধুরী টিপু ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান দুই আসামি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী আমেনা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।


