সর্বদলীয় ইসলামী শিক্ষা রক্ষা জাতীয় কমিটি প্রাথমিক শিক্ষায় গানের শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করে বাধ্যতামূলকভাবে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সমাজে দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার, মাদক ও নৈতিক অবক্ষয় দিন দিন বেড়েই চলছে, এবং এর মূল কারণ ধর্মীয় শিক্ষার ঘাটতি বলে তারা জানায়।
সংগঠনটির মতে, যদি প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন ধর্মীয় শিক্ষক থাকতেন, তবে শিক্ষার্থীরা সৎ, আল্লাহভীরু ও চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠত।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মুজিবুর রহমান বলেন, ‘গানের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকার কী করতে চায়? তারা কি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ নাগরিকের বদলে বিপথগামী করতে চায়?’
গানের শিক্ষক নাচ-গানের মাধ্যমে সাময়িক আনন্দ দিতে পারেন, কিন্তু চরিত্র গড়ে তুলতে পারেন না। অথচ ধর্মীয় শিক্ষক একজন শিক্ষার্থীকে জ্ঞানী করার পাশাপাশি তাকওয়াবান ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের জন্য স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া চালু, কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস এবং আলিয়া মাদরাসার ফাজিল পাশকারীদের নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ সংশোধনের দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য তাদের নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।


