দেশের হলে ‘স্টার ওয়ারস’-এর নতুন সিনেমা

দেশের হলে ‘স্টার ওয়ারস’-এর নতুন সিনেমা
Advertisement
Advertisement

হলিউডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্টার ওয়ারস’ ভক্তদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। পর্দায় আসছে স্টার ওয়ারস-এর নতুন সিনেমা। ২২ মে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘স্টার ওয়ারস: দ্য ম্যান্ডালোরিয়াান অ্যান্ড গ্রোগু’। বাংলাদেশের দর্শকরাও প্রস্তুত হয়ে যেতে পারেন। কারণ আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

ডিজনির ‘স্টার ওয়ারস’ ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’ সিরিজের অংশ এই সিনেমা। জন ফাভরো পরিচালিত তারকাবহুল সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন পেড্রো প্যাসকল, জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট, সিগুর্নি ওয়েভার প্রমুখ। ডিন ডিজারিন ও তার ছোট শিষ্য গ্রোগু নতুন মিশনে বের হয়; কিন্তু কাজটা সহজ না, পদে পদে তাদের জন্য অপেক্ষা করে আছে নতুন বিপদ। তবে এসব চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করতে গিয়ে ডিন ও গ্রোগুর সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।

সিনেমার কাহিনী শুরু হয় নিউ রিপাবলিকের অস্থির এক সময়ে। সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেলেও গ্যালাক্সির নানা প্রান্তে এখনও ইম্পেরিয়াল অবশিষ্ট বাহিনী সক্রিয়। ডিন জারিন বা ম্যান্ডালোরিয়ান এখন একদিকে ভাড়াটে যোদ্ধা, অন্যদিকে গ্রোগুর অভিভাবক ও শিক্ষক। গল্পের শুরুতে নিউ রিপাবলিকের এক কর্মকর্তা ম্যান্ডোর সাহায্য চান। কারণ হাট কার্টেল ও কিছু ইম্পেরিয়াল ওয়ারলর্ড মিলে গোপনে একটি বিপজ্জনক অস্ত্র ও জোট গড়ে তুলছে। এই ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জাব্বা দ্য হাটের ছেলে রোট্টা, যাকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে ঘিরেই গ্যালাক্সির অপরাধজগত ও ইম্পেরিয়াল শক্তির মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়। ম্যান্ডো ও গ্রোগুকে পাঠানো হয় রোট্টাকে উদ্ধারের মিশনে। প্রথমে এটি সাধারণ বাউন্টি হান্টারের কাজ মনে হলেও পরে তারা বুঝতে পারে, এর পেছনে আরও বড় পরিকল্পনা আছে। কিছু ইম্পেরিয়াল বিজ্ঞানী গ্রোগুর ফোর্স ক্ষমতা নিয়ে আবারও পরীক্ষা চালাতে চায়। ফলে গ্রোগু আবার শিকার হয়ে ওঠে। গ্রোগুর চরিত্র এখানে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী দেখানো হয়েছে। সে ফোর্স ব্যবহার করে শত্রুদের থামায়, আহতদের বাঁচায় এবং এক পর্যায়ে ম্যান্ডোর জীবনও রক্ষা করে। তবে সিনেমার আবেগের মূল জায়গা হলো ম্যান্ডো ও গ্রোগুর বাবা-ছেলের মতো সম্পর্ক। চূড়ান্ত অংশে ম্যান্ডো জানতে পারে, ইম্পেরিয়াল অবশিষ্ট বাহিনীর নেতা একটি নতুন সেনাবাহিনী তৈরির চেষ্টা করছে, যেখানে ফোর্স-সংবেদনশীল ক্লোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা ঠেকাতে বিশাল যুদ্ধ শুরু হয়। গ্রোগু নিজের শক্তি ব্যবহার করে সেই পরীক্ষাগার ধ্বংস করতে সাহায্য করে। শেষে ইঙ্গিত দেওয়া হয় স্টার ওয়ারস জগতে আরও বড় সংঘাত সামনে অপেক্ষা করছে। এটি ভবিষ্যতের স্টার ওয়ারস সিনেমা ও সিরিজের জন্য নতুন পথ তৈরি করে।

সিনেমাটি নিয়ে ভক্ত-দর্শকমহলে আলোচনা চলছে। ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ মিশ্র, তবে আগ্রহের দিক থেকে এটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। অনেক স্টার ওয়ারস ভক্ত ট্রেলারের ভিজ্যুয়াল, আইম্যাক্স স্কেল এবং ম্যান্ডো গ্রোগুর আবেগপূর্ণ সম্পর্ক দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। বিশেষ করে গ্রোগুর নতুন ফোর্স ক্ষমতা, অ্যাকশন দৃশ্য এবং পুরনো স্টার ওয়ারস আবহ দর্শকদের মধ্যে নস্টালজিয়া তৈরি করে। ইউটিউবে বিভিন্ন রিঅ্যাকশন ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়। জবফফরঃ–এও প্রচুর আলোচনা হয়। কেউ কেউ ট্রেলারকে নস্টালজিক ও মজাদার বলেছেন, আবার অনেকে মনে করেছেন এটি অনেকটাই নিরাপদ ও পরিচিত ফর্মুলার উপর নির্ভর করেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad