রাজধানীর লালবাগ শহীদনগরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত রাফি হোসেন (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি।
গত ১৪ মে রাত ৮টার দিকে শহীদনগর ৩ নম্বর গলির বেরিবাধে গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন।
রাফির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভগ্নিপতি আব্দুস সাত্তার ফরাজি। তিনি জানান, ডান পাজরে একটি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলো তার। রাফির অবস্থা প্রথম থেকেই গুরুতর ছিল। ঘটনার দিনই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় ৷ সেখানেই এক সপ্তাহ ভর্তি ছিলেন। বুধবার সকালে রাফির মৃত্যু হয়।
আহত রাফির বাবার নাম মো. তাইজুদ্দিন। তাদের বাসা শহীদনগর ২ নম্বর গলিতে। তার মা মোমেনা বেগম জানান, রাফি টি শার্ট প্রিন্ট করে এরপর অনলাইনে বিক্রি করেন। বিবাহিত ছিলেন তিনি। মেহেরজা নামে এক মাস বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে তার।
ঘটনারদিন আহত রাফিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. সজিব জানান, ওই গলিতে এলাকারই কয়েকজন যুবক তাকে ‘শাহিন’ নামের কাউকে চেনেন কিনা তা জানতে চান। দেখেননি জানাতেই তারা সজিবকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে ৷
এক পর্যায়ে সজিব সেখান থেকে ছুটে গিয়ে রাফিকে তার বাসা থেকে ডেকে আনেন। এরপর তারা দুজন ওই যুবককদের কাছে যাওয়া মাত্রই ইমন নামে একজন পিস্তল বের করে রাফিকে গুলি করেন ৷ ইমনের সঙ্গে রেজাউল, মিন্টু, শাহবুদ্দিনসহ আরও আট-নয় জন ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।


