ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েব আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘আন্দোলন করেছি মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য, বৈষম্য দূর করার জন্য, চাঁদাবাজি করার জন্য নয়, সন্ত্রাস করার জন্য নয়, ধর্ষণ করার জন্য নয়।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আর কোনো ধর্ষক ও চাঁদাবাজদের ক্ষমতায় নেবে না এদেশের মানুষ। যারা দুর্নীতি করেছে মানুষ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।‘
সোমবার বিকালে পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। একটি দল হবে ইসলামের পক্ষে ও দেশের পক্ষে, আরেকটি দল হবে ইসলামের বিপক্ষে ও ভারতের পক্ষে।’
পিআর পদ্ধতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি চালু হলে দেশে একটি সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ সংসদ গঠিত হবে। বিশ্বের ৯১টি দেশে এ পদ্ধতি চালু আছে এবং কোনো দেশই এটি বাতিল করেনি। বরং নতুন নতুন দেশও এ পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে।’
গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া হাওলাদার।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, পিরোজপুর-২ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পিরোজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মোহাম্মদ জহিরুল হক, পিরোজপুর জেলা ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মনিরুল হাসান, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল আহসান, জেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, জেলা জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ও আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ মনিরুল হাসান ও এইচ এম জিয়াউল করীম।


