দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ
ছবি: বাসস
Advertisement
Advertisement

দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর সময় ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার করা রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও ইউসুফ আলী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহবুবুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক।

২৮ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা। রিটে দুদক চেয়ারম্যান, কমিশনের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালককে বিবাদী করা হয়।

অনুসন্ধান বা তদন্তাধীন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং থেকে দুদককে বিরত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয় রিটে। একই সঙ্গে ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রেস ব্রিফিংকে বেআইনি ঘোষণা এবং বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের নির্দেশনাও চাওয়া হয়।

আরও পড়ুন

রিটে বলা হয়, ২ সেপ্টেম্বর দুদকের এক ব্রিফিংয়ে উপপরিচালক জানান, আসিফ মাহমুদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি-বাণিজ্যের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

রিটকারীর দাবি, দুদক আইন অনুযায়ী অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা অনুসন্ধান শেষে নির্ধারণের বিষয়। অনুসন্ধান শুরুর সময়ই প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা বলার আইনি এখতিয়ার দুদকের নেই।

আবেদনে বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের সচিব ওই বক্তব্যকে ‘স্লিপ অব দ্য টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা হিসেবে উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাও সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বক্তব্যটিকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে স্বীকার করেন। তবে বক্তব্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি বলে রিটে দাবি করা হয়।

এরপর ১০ সেপ্টেম্বর আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক আরেকটি প্রেস ব্রিফিং করেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ, জেলা প্রশাসক পদায়ন, ওয়াসা, এলজিইডি, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দরপত্র ও বিদেশে অর্থপাচারসহ নতুন অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

রিটে আসিফ মাহমুদ এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অসত্য দাবি করেন। ১৫০ জন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির বিষয়ে তিনি বলেন, তার পদত্যাগের প্রায় পাঁচ মাস পর ২০২৬ সালের ১১ মে ওই পদোন্নতি কার্যকর হয়। ফলে এতে তার সংশ্লিষ্টতা থাকার সুযোগ নেই বলে রিটে দাবি করা হয়।

রিটে আরও অভিযোগ করা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থিতা ঘোষণার পর তার সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে এসব ব্রিফিং করা হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ ও তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা, ২০১১-এর পরিপন্থী বলেও রিটে দাবি করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad