এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনবে সরকার: মন্ত্রী

এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনবে সরকার: মন্ত্রী
ছবি: এয়ারবাসের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া
Advertisement
Advertisement

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ইউরোপের প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য চূড়ান্ত চুক্তির প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে।’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে চুক্তি সইয়ের পরপরই এসব উড়োজাহাজ দেশে পৌঁছাবে না। বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে সরবরাহ করা হবে, যদিও বাংলাদেশ অন্তত একটি বিমান ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে। পুরো ২৫টি বিমান ২০৩৫ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এককালীন সব টাকা দিতে হবে না, বরং প্রতিটি উড়োজাহাজ সরবরাহের সঙ্গে সঙ্গে আনুপাতিক হারে মূল্য পরিশোধ করা হবে। এই অর্থ বাংলাদেশ বিমানের নিজস্ব আয় থেকেই পরিশোধ করার আশা রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

এই ২৫টি বোয়িং বিমানের জন্য মোট আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে পূর্বের চুক্তির ১৪টি বিমানের খরচ ৩ দমমিক ৭ বিলিয়ন ডলার এবং নতুন যুক্ত হওয়া ১১টি বিমানের জন্য অতিরিক্ত ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে, যা আগের নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নতুন উড়োজাহাজগুলো আসতে দীর্ঘ সময় লাগায় মধ্যবর্তী সময়ে বাংলাদেশ বিমানের বহর সচল ও সম্প্রসারণ রাখতে সরকার অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই লিজ প্রক্রিয়া তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। লিজ প্রক্রিয়াটি যাতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে কমিটিতে আরও দুজন প্রতিনিধি যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে এই বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী  জানান, বাংলাদেশ কারও চাপে নয়, বরং ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রয়োজনে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশ কোন উৎস থেকে কিনলে লাভবান হবে, বিমানের ব্যবসায়িক সুবিধা কেমন হবে এবং সার্বিক জাতীয় স্বার্থ কতটুকু বজায় থাকবে–কেবল তা বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad