সরকারের এ উদ্যোগের আওতায় কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে। ফুচকা বিক্রেতা, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল আর্থিক সেবার আওতায় আনা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এ ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ফুটপাতের বিক্রেতা ও ছোট ব্যবসায়ীরা যেকোনো ব্যাংক বা সেবা প্রদানকারীর অ্যাকাউন্টে সহজেই কিউআর কোডের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। এতে নগদ টাকা বহনের প্রয়োজন কমবে এবং লেনদেন আরও সহজ ও গতিশীল হবে।
আমির খসরু বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেন সহজ ও নিরাপদ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও আন্তর্জাতিক এ চর্চাকে দেশে সার্বজনীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ বা সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সেগুলো দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
দেশের সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও সেবা প্রদানকারীদের কোনো দ্বিধা ছাড়াই ক্যাশলেস ও নিরাপদ অর্থনৈতিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।


