বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের ভবিষ্যৎ কোন পথে?

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

লেখাটি শুরু করছি একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিয়ে। ২০০৯ সালে ভারতের মেঘালয় ভ্রমণের সময় চেরাপুঞ্জির এক রিসোর্টে এক ইতালীয় পর্যটকের সঙ্গে দেখা হয়। কথায় কথায় জানালেন, তিনি প্রায় প্রতি বছরই উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ভ্রমণ করতে আসেন। বাংলাদেশ সীমান্তের পাহাড়ি রিসোর্ট থেকে অনতিদূরের বাংলাদেশ দেখিয়ে তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালাম। বললেন, পরের বছর বাংলাদেশ আসবেন।

কথা মতো পরের বছর তিনি বাংলাদেশ এসেছিলেন। আর ঢাকায় এসেই যা বললেন তাতে বেশ লজ্জা পেলাম। জানালেন, রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিসার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানকার ভিসা অফিসার স্রেফ বেড়ানোর জন্য বাংলাদেশে যাওয়ার কথা শুনে নাকি চোখ কপালে তুলেছিলেন। বলেছিলেন: বাংলাদেশে দেখার কিছুই নেই। এমন দেশে তিনি কেন বেড়াতে যাবেন? অবশ্য নানা রকম প্রশ্নের পর তাকে ট্যুরিস্ট  ভিসা দেওয়া হয়েছিল। ভদ্রলোক জানতেন না ইউরোপীয়রা ঢাকায় পোর্ট এন্ট্রি ভিসা পায়। একারণেই ভিসা নিতে দূতাবাসে গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে এসে সুন্দরবন, কুমিল্লা, বান্দরবান আর কক্সবাজার বেড়িয়েছিলেন সেই ইতালিয়ান। ফেরার আগে বার বার বলছিলেন, ‘তোমাদের দেশ এত সুন্দর, অথচ কোনো প্রচার নেই! এমনকি তোমাদের লোকজনই বিদেশিদের এখানে বেড়াতে আসতে নিরুৎসাহিত করে!’

সমুদ্রের বিস্তীর্ণ নীল জলরাশি, পাহাড়ের গায়ে মেঘের লুকোচুরি, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের গহিন রহস্য, আর সবুজ গালিচায় মোড়া চায়ের বাগান—প্রকৃতি যেন আপন হাতে সাজিয়েছে বাংলাদেশকে। একটি দেশকে আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নৈসর্গিক সৌন্দর্যের যে বৈচিত্র্য প্রয়োজন, তার কোনোটিরই অভাব নেই আমাদের। অথচ, বিশ্ব পর্যটনের মানচিত্রে বাংলাদেশ এখনো একটি প্রায় অচেনা নাম।

পর্যটন মানচিত্রে বাংলাদেশ অচেনা থাকার একটি কারণ সরকারের, আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্রহের অভাব। তারা হয়তো জানেই না পর্যটন শিল্প বহু দেশের অর্থনীতির শক্তিশালী একটি খাত।

অর্থনীতির অন্যান্য সূচকে কিংবা তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আমরা যতটা এগিয়েছি, পর্যটন শিল্পে আমাদের পশ্চাৎপদতা ঠিক ততটাই দৃষ্টিকটু। বর্তমান সময়ে যখন বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশ কেবল পর্যটনের ওপর ভর করে নিজেদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে, তখন অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমাদের এই খাত খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। এই খুঁড়িয়ে চলার পেছনেও প্রায় পুরোটাই বেসরকারি খাতের অবদান।

পর্যটন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং বিশ্বদরবারে ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তোলার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ২৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করেছে পর্যটনশিল্প। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এই খাতের অবদান প্রায় তিন শতাংশ। অথচ সঠিক পরিকল্পনা, সেগুলো ঠিকঠাক বাস্তবায়ন, বেসরকারি খাতকে নীতি-সহায়তা প্রদান আর জনসচেতনা সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যটনশিল্প হয়ে ওঠতে পারে অর্থনীতির শক্তিশালী খাত।

বাংলাদেশে একদিকে আমাদের রয়েছে কক্সবাজারের মতো বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত, কুয়াকাটার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বিরল দৃশ্য, সেন্টমার্টিনের মতো প্রবাল দ্বীপ। অন্যদিকে রয়েছে পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়, ষাট গম্বুজ মসজিদ কিংবা পানাম নগরের মতো হাজার বছরের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জীবনধারা এবং বৃহত্তর সিলেটের চা-বাগানকেন্দ্রিক যে কমিউনিটি বেসড ট্যুরিজম বা ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ রয়েছে, তা বিশ্বমানের।

অপার সৌন্দর্যের বাংলাদেশে পর্যটনের সম্ভাবনাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।

প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন (ইকো-ট্যুরিজম): সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর, সাজেক ভ্যালি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা (বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি) কেন্দ্রিক পরিবেশবান্ধব পর্যটনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। পরিবেশ রক্ষা করে টেকসই পর্যটনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকর্ষণ করা সম্ভব।

আরও পড়ুন

উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলীয় পর্যটন: কক্সবাজারের প্রায় ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকত ছাড়াও কুয়াকাটা, সেন্টমার্টিন, নাফ নদী, সোনাদিয়া এবং নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের বড় সম্পদ। এর সঙ্গে যোগ হতে পারে পটুয়াখালী উপকূলের চর হেয়ার, সোনার চর, চর কুকরি মুকরির মতো স্থান।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটন: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড়, লালবাগ কেল্লা, ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং পানাম নগরের মতো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে এ দেশে। এসব স্থানকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে বিপুল পর্যটক আকর্ষণ করা সম্ভব। বিশেষ করে প্রাচীণ বৌদ্ধ স্থাপনা দেখতে আসতে পারে জাপান ও কোরিয়ার মতো দেশগুলোর বিপুল সংখ্যক পর্যটক।

কমিউনিটি বেসড ট্যুরিজম (সিবিটি): সিলেটের চা-বাগান ও পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি কেন্দ্রিক ‘কমিউনিটি ট্যুরিজম’ ইদানীং জনপ্রিয় হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সরাসরি চাঙা করছে। আরও আছে সিলেট থেকে শুরু করে নেত্রকোণা পর্যন্ত মেঘালয় সীমান্তের ছোট ছোট পাহাড়ি নদী। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বরাবরই এসব আকর্ষনীয় স্থান।

এমন প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্য নিয়ে পর্যটনকে জাতীয় আয়ের শক্তিশালী উৎসে কেন পরিণত করা যাচ্ছে না—এই প্রশ্ন আজ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান যেখানে দশ শতাংশের কাছাকাছি যাওয়ার কথা, সেখানে আমরা এখনো তিন শতাংশের বৃত্তেই আটকে আছি।

আমাদের পর্যটনের প্রধান দুর্বলতা কাঠামোগত অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনার অভাব। গত কয়েক বছরে অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা অভাবনীয় হারে বেড়েছে। ছুটির দিনগুলোতে লাখ লাখ মানুষ ছুটে যাচ্ছেন বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে। কিন্তু এই বিপুলসংখ্যক পর্যটককে ধারণ করার মতো মানসম্মত অবকাঠামো আমরা এখনো গড়ে তুলতে পারিনি। একজন পর্যটকের যাত্রা শুরু হয় পরিবহন দিয়ে। অথচ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে যাতায়াতের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা এখনো তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। পরিবহন ব্যবস্থাও পুরোপুরি পর্যটকবান্ধব নয়। সম্প্রতি কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হওয়া কিংবা কিছু মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে যোগাযোগে উন্নতি হলেও, সামগ্রিকভাবে আধুনিক ও নিরাপদ গণপরিবহনের মারাত্মক সংকট রয়েছে।

এর পাশাপাশি পর্যটন স্পটগুলোতে মানসম্মত বিশ্রামাগার, পরিষ্কার শৌচাগার এবং সঠিক তথ্যকেন্দ্রের অভাব প্রতিটি পর্যটককে পদে পদে ভোগান্তিতে ফেলে।

আরেকটি বড় দুশ্চিন্তার জায়গা হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হয়রানি। একজন পর্যটক যখন কোথাও ঘুরতে যান, তিনি মূলত প্রশান্তি খোঁজেন। কিন্তু আমাদের দেশে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, নিম্নমানের খাবার চড়া দামে বিক্রি এবং পদে পদে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনা নৈমিত্তিক ব্যাপার। নারী পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা এখনো অনেকটা পিছিয়ে। কোথাও কোথাও তরুণ দম্পতিদের কাছে বিয়ের কাগজপত্র চাওয়ার মতো হয়রানির ঘটনাও ঘটে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠন করা হলেও তাদের জনবল, আধুনিক প্রযুক্তি, সর্বত্র পৌঁছানোর সক্ষমতা, সর্বোপরি স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে পর্যটনশিল্পের অবদান সম্পর্কে তাদের এখনো জ্ঞানের ঘাটতি রয়ে গেছে। পাশাপাশি অনেক এলাকার মানুষও জানে না পর্যটন তাদের স্থানীয় অর্থনীতিকে কতটা শক্তিশালী করতে পারে। তাই বিভিন্ন এলাকায় নেতিবাচক অভিজ্ঞতা কেবল অভ্যন্তরীণ পর্যটকদেরই নিরুৎসাহিত করছে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের দুর্নাম বয়ে আনছে।

বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে আমাদের স্থবিরতাও সমানভাবে হতাশাজনক। বাংলাদেশে প্রতি বছর বেড়াতে আসেন প্রায় সাড়ে ছয় লাখ বিদেশি। তবে তাদের মধ্যে শুধু বেড়াতে আসেন সেই হিসাব নেই। কাজের জন্য, ব্যবসার জন্য কিংবা প্রতিবেশি ভারত থেকে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে আসা বিদেশিদেরকেও এক কথায় পর্যটক বলে দেওয়া হয়।

শুধু বেড়ানোর জন্য পর্যটক টানতে আমরা এখনো ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ স্লোগানটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি কার্যকর ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া, বিশেষ করে অন-অ্যারাইভাল বা ই-ভিসা ব্যবস্থায় এখনো অনেক জটিলতা রয়ে গেছে। প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে কোনো আগ্রাসী বিপণন কৌশল চোখে পড়ে না। আগেই উদাহরণ দিয়ে বলেছি, আমাদের বিদেশি মিশনগুলো পর্যটন কূটনীতিতে প্রায় নিষ্ক্রিয়। অথচ সঠিক প্রচারণার মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোসহ এশিয়ার পর্যটকদের সহজেই আকৃষ্ট করা যেত।

এছাড়া পর্যটন একটি সেবামূলক শিল্প, যেখানে আতিথেয়তা ও পেশাদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি। আমাদের মানুষের সহজাত আতিথেয়তা থাকলেও পেশাদার গাইড, আন্তর্জাতিক মানের রন্ধনশিল্পী এবং দক্ষ হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট কর্মীর তীব্র অভাব রয়েছে। পর্যটন শিল্পকে শক্তিশালী করতে হলে এসব খাতে প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়িয়ে দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে হবে।

পর্যটন শিল্পের প্রসারে দীর্ঘদিন একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান ছিল বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। তবে তাদের কাজ এখনো হোটেল-মোটেলের সেবাদানেই সীমাবদ্ধ। তাই ২০১০ সালে পর্যটন শিল্পের প্রসারে গঠন করা হয় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। তবে হতাশার কথা হচ্ছে, এই প্রতিষ্ঠানে কোনো পেশাদার মানুষ নেই। সরকারের এক দপ্তর থেকে বদলি হয়ে এসে কিছুদিন চাকরি করে আবার অন্য দপ্তরে চলে যান।

এসব হতাশার মাঝেও পর্যটন শিল্প প্রসারে কখনো কখনো দেখা গেছে সরকারি প্রচেষ্টা। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টেকনাফের নাফ নদীর একটা চরে ট্যুরিজম পার্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে মিয়ানমারের অস্থিরতায় সেই উদ্যোগ থমকে গেছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পর্যটন নিয়ে ২০২৬ থেকে ২০২৯ মেয়াদের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে। এর আওতায় পুরো দেশকে আটটি পর্যটন অঞ্চলে ভাগ করে পাঁচতারকা হোটেল, রিসোর্ট, বিনোদন পার্ক, কেবল কার, হাউসবোট, নৃগোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী গ্রাম, নদীভিত্তিক পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২৬ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় আর একনেক যদি শেষ পর্যন্ত এই মহাপরিকল্পনা অনুমোদন করে তাহলে হয়তো বেশ খানিকটা এগিয়ে যাবে পর্যটন শিল্প।

বাংলাদেশের পর্যটন কেবল ঘুরে বেড়ানোর মাধ্যম নয়, এটি রূপান্তরের মাধ্যম হতে পারে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আনা, কর্মসংস্থান তৈরি করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে পোশাক খাত বা রেমিট্যান্সের পর পর্যটন হতে পারে তৃতীয় বৃহত্তম চালিকাশক্তি। প্রকৃতি আমাদের যা দিয়েছে, তার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা যুক্ত হলে বাংলাদেশ হতে পারে নেপাল-থাইল্যান্ড-ভিয়েতনামের মতো অন্যতম কাঙ্ক্ষিত পর্যটন গন্তব্য। তবে এর জন্য সবার আগে দরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের সদিচ্ছা আর আন্তরিকতা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad