মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: প্রধান আসামির জামিন

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: প্রধান আসামির জামিন
Advertisement
Advertisement

রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে পাথর দিয়ে পিটিয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসান মহিনকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে এ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বৃহস্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, মহিনের জামিন স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল করা হয়েছে। এর আগে, আবেদনের শুনানি করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি সৈয়দ হাসান যুবাইরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ মহিনকে জামিন দেয়।

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

২০২৫ সালের ৯ জুলাই রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে লাল চাঁদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের বোন মঞ্জুয়ারা বেগম। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে গত ১২ জুলাই ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচার শুরু হয়।

গত ৩ আগস্ট নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ বর্ণনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার ভাই সোহাগকে হত্যা করা হয়। মাহিন, টিটু, লম্বা মনির, ছোট মনির, সজিব, রাজীব, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, আলমগীর, অপু দাস, অভি, টিটন গাজী, রবিনসহ অনেকে সোহাগকে পিটিয়ে, ইট-পাথরের খণ্ড দিয়ে আঘাত করে। একপর্যায়ে সোহাগ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে তার মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। এরপর সোহাগ মারা গেছেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার মরদেহের ওপর উঠে তারা উল্লাস করেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad