পড়া না পারায় মেহেরপুরের গাংনীতে শোয়েব আলী (১৩) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে কঞ্চি দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
গাংনী পৌরসভার পশ্চিম মালসাদহ ফজলুল উলুম কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী শোয়েব আলী পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে এবং পশ্চিম মালসাদহ ফজলুল উলুম কওমি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।
গত সোমবার ভোরে মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থী ও তার পরিবার।
আহত শিক্ষার্থী শোয়েব আলী জানায়, পড়া না পারায় মাদ্রাসার শিক্ষক দ্বীন ইসলাম তাকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পরে সে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
শোয়েব আলীর বাবা আব্দুল গনি বলেন, ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্য জায়গায় আঘাতের চিহ্ন বুঝতে পারলেও পায়ের আঘাতের বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে ছেলে হাঁটতে না পারায় বৃহস্পতিবার তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পায়ের গোড়ালির হাড় ফেটে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সামিয়া সুলতানা জানান, শিক্ষার্থীর পায়ের এক্স-রে করার পর বোঝা গেছে পায়ের নিচের অংশের হাড় ফেটে গেছে। তার পায়ের চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলতে পশ্চিম মালসাদহ ফজলুল উলুম কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।
গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, ‘ঘটনাটি শুনেছি, ওই এলাকায় খোঁজ খবর নিচ্ছি এবং লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


