তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা ও সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এসময় দুই দেশই তাদের বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
বুধবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সহায়তা চাওয়া হয়। বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আলোচনা হয়।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণে ৫ মে থেকে ৭ মে চীন সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনে এটি তার প্রথম সরকারি সফর।
বৈঠকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক সম্পর্ক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেন। পাশাপাশি একে অপরের মৌলিক স্বার্থ রক্ষা এবং প্রধান ইস্যুগুলো সমাধানে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
উভয় পক্ষ দুই দেশের বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব এগিয়ে নিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি বজায় রাখা, উচ্চপর্যায়ের বিনিময়ের গতি অব্যাহত রাখা, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা দৃঢ় করা এবং উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়।
অন্যদিকে চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এর প্রসার এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়।


