তফসিল ঘোষণার আগেই গণভোট শেষ করা উচিত বলে মনে করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
তিনি বলেন, ‘তফসিলের আগেই গণভোট হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই এক ব্যালটে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কেন্দ্র, কর্মকর্তাসহ সব প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। এখন যদি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই সনদ বিষয়ে গণভোট আয়োজন করা হয়, তাহলে তা নানা জটিলতা তৈরি করবে।’
বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আতাউর রহমান আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ একটি সম্মিলিত বিষয়, কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে সেই রাজনৈতিক দলগুলোই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে। এতে জনগণের মনে জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ও ভুল বার্তা যাবে। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদ ভেঙে যাওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা, কিন্তু এবার তা হচ্ছে দেড় বছর পরে। ফলে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এসব সমস্যার উত্তরণে তফসিল ঘোষণার আগেই গণভোট হওয়া উচিত।’
তবে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে গণভোটের সময় নির্ধারণে কমিশনের সিদ্ধান্তকেই সম্মান জানাবে ইসলামী আন্দোলন।’
‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রসঙ্গে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে গণভোটে যাওয়া ঠিক হবে না। যারা মৌলিক বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন, তাদের তা প্রত্যাহার করা উচিত। কারণ এতে গণভোট প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়বে।’
এ সময় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন দীর্ঘদিন ধরে ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘সাংবাদিকরা নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এই প্রক্রিয়াটি জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’


