ঢাবিতে ছাত্রদলের নবান্ন উৎসব

ঢাবিতে ছাত্রদলের নবান্ন উৎসব
নবান্ন উৎসব আয়োজন করেছে ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

লাঠি খেলা, নাচ-গান, লোকসংগীতের মধ্যে দিয়ে নবান্ন উৎসব আয়োজন করেছে ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শাখা। বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্বরে ‘নবান্ন উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু করে। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বক্তব্য শেষে লাঠি খেলার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। ‘বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ লাঠিখেলা ও সাংস্কৃতিক ক্লাব’ এতে অংশ নেয়।

আয়োজন সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমাদের অনেক ঐতিহ্যই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। সেই ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে এমন আয়োজনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নবান্ন উৎসবে লাঠিখেলা। ছবি: টাইমস

আয়োজনের জন্য ছাত্রদলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন যত বাড়বে, ততই আমাদের অন্তরে থাকা নিজস্ব ঐতিহ্য ও চেতনা আরও জাগ্রত ও দৃঢ় থাকবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও সাম্প্রতিক বাস্তবতায় দেশীয় সংস্কৃতি, বিশেষ করে তরুণদের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংগীত ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র-ইচ্ছাকৃতভাবে দমিয়ে রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

তাই তিনি মনে করেন, আগের নেতিবাচক অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে এখন সুস্থ দেশীয় সাংস্কৃতিক চর্চা বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, বাংলাদেশে শুধুমাত্র স্বৈরাচার সরকার ১৭ বছর ধরে জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়। সামাজিক, অর্থনৈতিক সব দিক থেকেই আমাদের ওপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নবান্ন উৎসবে লাঠিখেলা। ছবি: টাইমস

তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে দেশে অনেক বড় ইভেন্ট হলেও এসব ইভেন্টে দেশীয় শিল্পীদের ‘নিয়মিতভাবে অবমূল্যায়ন’ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে শিল্পীদের এনে দেশের বড়ো ইভেন্টগুলোতে গান পরিবেশন করানো হয়েছে, আর সেই সঙ্গে আমাদের দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে চলে গেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দিতে হবে। যারা গত ১৭ বছর আমাদের সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা করেছে, অবহেলা করেছে তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক। উৎসবটি রাত দশটা পর্যন্ত চলবে। রাতে ‘কৃষকের দুঃখ শিরোনামে প্রবন্ধ পাঠ এবং নাচ-গানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad