ঢাকার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের কাছে ড্রাম থেকে উদ্ধার কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের খণ্ডিত মরদেহের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রংপুরের বদরগঞ্জে নয়াপাড়া গ্রামে তার শেষ শয্যা হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় নির্মাণাধীন গোপালপুর নয়াপাড়া আল মাহফুজ মাদ্রাসা মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পাশেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে তিনটায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ গ্রামে পৌঁছায়। খণ্ডিত মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজন এবং এলাকাবাসী।
১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে পথচারীদের নজরে পড়ে দুটি নীল ড্রাম। পুলিশ এসে ড্রাম খুলে টুকরো টুকরো মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্ত ও প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সেটি আশরাফুল হকের দেহাবশেষ।
এর আগে মঙ্গলবার প্রবাসী বন্ধু জরেজকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা যান আশরাফুল। শুক্রবার নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে বন্ধু জরেজ সহ অজ্ঞাতদের নামে মামলা করে। এদিনই বিকালে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান আসামি জরেজ ও তার প্রেমিকা শামীমাকে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরকীয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। হত্যার পর গুম করতেই লাশ টুকরো টুকরো করে ফেলে আসা হয় হাইকোর্ট মাজারের পাশে।

পেশায় কাঁচামাল আমদানিকারক ছিলেন আশরাফুল। গ্রেপ্তার বাল্যবন্ধু জরেজ আগে মালয়েশিয়া থাকতেন। সম্প্রতি বাড়িতে এসে জাপান যাওয়ার জন্য ২০ লাখ টাকা ধার চেয়েছিলেন আশরাফুলের কাছে। সেই টাকা দেওয়ার জন্যই আশরাফুল জরেজকেকে ঢাকায় নিয়ে যান।


