দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মশাবাহিত এ রোগটিতে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ১২৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৮, ঢাকা বিভাগে (সিটির বাইরে) ১২০, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১২০, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১৭, খুলনা বিভাগে ১৩ (সিটির বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯ (সিটির বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ২২ (সিটির বাইরে) এবং সিলেট বিভাগে তিন (সিটির বাইরে) আক্রান্ত হয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
সব মিলিয়ে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত এ রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ৭০ হাজার ৫১৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন করে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও বছরের এখন পর্যন্ত এ রোগে ২৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৮ জন পুরুষ ও ১৩০ জন নারী।
এ ছাড়া, অক্টোবরে ডেঙ্গু রোগে প্রাণ হারিয়েছেন ৮০ জন। এর আগে সেপ্টেম্বরে ৭৬ জন, আগস্টে ৩৯, জুলাইয়ে ৪১, জুনে ১৯, মে মাসে তিন, এপ্রিলে সাত, ফেব্রুয়ারিতে তিন ও জানুয়ারিতে ১০ জনের মৃত্যু হয় মশাবাহিত এ রোগটিতে। মার্চ মাসে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১, আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬, সেপ্টেম্বরে ১৫ হাজার ৮৬৬ এবং অক্টোবরে ২২ হাজার ৫২০ জন রোগী।
২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি।


