ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন গণতন্ত্র অভিমুখী বিশাল পদযাত্রা বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
নির্বাচনের আগে সোমবার রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
এতে তিনি লেখেন, ‘মঙ্গলবার ডাকসু নির্বাচন। দেড়যুগ পরে এ দেশের তরুণরা অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন সেখানে। আশা করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবাই এই সুযোগ গ্রহণ করবেন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে আসবেন। যেই জিতুক তাকে অন্যরা বরণ করে নেবেন।’
পোস্টে তিনি এই আয়োজনের সফলতাও কামনা করেন।
দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের (ডাকসু) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে চলছে এই ভোটগ্রহণ।
ডাকসু নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৪৭১ জন প্রার্থী, এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। শুধু সদস্যপদেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সর্বাধিক ২১৭ জন প্রার্থী।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট এক হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ১৮ হাজার ৯০২ জন।
ভোটাররা ব্যাগ, মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রিক ডিভাইস, পানির বোতল বা তরল কোনো পদার্থ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’, ছাত্রদল সমর্থিত ‘আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদ’, ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সমর্থিত ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’, বাম জোট সমর্থিত ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’সহ পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে প্রায় ১০টি প্যানেল অংশ নিচ্ছে।
ডাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা হবে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে। প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে এলইডি স্ক্রিনে ফল গণনা দেখানো হবে। সবশেষে সিনেট ভবন মিলনায়তনে সব কেন্দ্রের মোট ফল ঘোষণা করা হবে।


