কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত শিশু আফনানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চট্টগ্রামে পৌঁছায়।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আফনান নামের শিশুটি সাড়ে ৪টার পর হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা ভালো নয়। বর্তমানে তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।
এর আগে, রোববার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়।
প্রথমে পুলিশ সূত্রে শিশুটির মৃত্যুর খবর জানানো হলেও পরে তা সঠিক নয় বলে নিশ্চিত করা হয়।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহজালাল দুপুরে বলেন, শিশুটি তখনও জীবিত ছিল।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস দুপুর ২টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মৃত্যুর খবর শোনা গেলেও সেটি সঠিক নয়।’
শিশুটির পরিবারের সদস্যদের বরাতে তার দাদা আবুল হাসেম জানান, নাতনির সঙ্গে থাকা তার ছেলে শওকত বেলা ১২টার পর উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন।
গুলিবিদ্ধ শিশুটির পুরো নাম হুজাইফা আফনান (৯)। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তেচ্ছিব্রিজ এলাকার জসিম উদ্দীনের মেয়ে। আফনান লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।


