ঝিনাইদহে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ঝিনাইদহে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫
ঝিনাইদহে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঝিনাইদহে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার ইসলামপুর-হরিপুর কবি ফজর আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন কানুহরপুর গ্রামের মাসুদুর রহমান (৩৫), এমদাদুর রহমান (৪৫), সুমন (২৭), মো. শামীম হোসেন (৪৫), সফর আলী (৫৫), তোতা মিয়া (৫৮), রহমত উল্লাহ (৫০), মুক্তার হোসেন (৫০), গোলাম মোস্তফা (৫৫), সলেমান বিশ্বাস (৬০), শামীম হোসেন (৪০), জহুরুল ইসলাম (৩৫) ও ফয়জুল্লাহ (২৫)।

আহত সফর আলী মহারাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি, তোতা মিয়া ওই ইউনিয়নের সাংগঠনিক সেক্রেটারি এবং জহুরুল ইসলাম ছাত্রশিবিরের সদর উপজেলা দক্ষিণ শাখার সাবেক সভাপতি।

জহুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তাকে বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত করা হলেও বিএনপি সমর্থিত এমদাদুর রহমান ও গোলাম মোস্তফাসহ কয়েকজন বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেন। বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাজান বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ দফাদারসহ নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালান বলে দাবি করেন তিনি। এতে পরিবারের তিন সদস্য ও তার বাবাসহ নয়জন আহত হন।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘সাবেক শিবির নেতা জহুরুল ইসলামকে গোপনে সভাপতি নির্বাচিত করেছেন প্রধান শিক্ষক। এ বিষয়ে অভিভাবক সদস্যসহ এলাকাবাসীকে কিছুই জানানো হয়নি। আমরা দাতা পরিবারের লোক হয়েও জানতাম না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে তার স্ত্রী রেহেনা পারভীনকেও পিটিয়েছে জহুরুল ইসলাম ও তার সমর্থকরা।

সফর আলী বলেন, ‘ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাজান বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ দফাদার উপস্থিত থেকে আমাদের প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন মন্টু বলেন, ‘কিছুদিন আগে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে জহুরুল ইসলাম সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষানীতি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের অনুমোদন নিয়েই কমিটি গঠন হয়েছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।’

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এটা জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ ঠিক না, তবে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad