ঝিনাইদহে ধর্ষণ ও শরীর পোড়ানোর অভিযোগে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

ঝিনাইদহে ধর্ষণ ও শরীর পোড়ানোর অভিযোগে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা
Advertisement
Advertisement

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গা দগ্ধ করার অভিযোগে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নারী। তিনি ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রোববার রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় তার সাবেক স্বামীসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, শৈলকুপা পৌরসভার হাবিবপুর মোল্লাপাড়া এলাকার কামরুল খন্দকারের বড় ছেলে মো. নাজমুল খন্দকারকে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন ভুক্তভোগী নারী। ঝিনাইদহ পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন তারা। বৃহস্পতিবার তাকে তালাক দেন নাজমুল খন্দকার।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গিলাবাড়িয়া এলাকার ভোজনবাড়ি রেস্টুরেন্টে খেতে যান ভুক্তভোগী ওই নারী। খাওয়া শেষে রাস্তার পাশে রিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি সাদা মাইক্রোবাসে কয়েকজন এসে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে কাপড় দিয়ে চোখ ও মুখ বেঁধে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাতে থাকে। কণ্ঠশুনে তিনি চিনতে পারেন গাড়িতে তার সাবেক স্বামী ও স্বামীর ছোটভাইসহ আরও একজন ছিল। তার সাবেক স্বামী গাড়ির মধ্যে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় সিগারেট অথবা মোমবাতির আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পরে তাকে ভোজনবাড়ি রেস্টুরেন্টের পাশে খালের ওপর নিয়ে ব্রিজ থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পথচারীদের সহায়তায় রক্ষা পান তিনি। স্থানীয়রা তাকে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালটির চিকিৎসক রাজীব চক্রবর্তী বলেন, ‘ওই নারীর শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গসহ বিভিন্ন জায়গায় পোড়ানোর গোল ক্ষত রয়েছে। বর্তমানে তিনি গাইনী বিভাগে চিকিৎসাধীন।’
ওসি মো. সামসুল আরেফিন বলেন, রোববার সন্ধ্যার দিকে ওই নারী থানায় অভিযোগ দেন। রাতেই মামলা রেকর্ড করা হয়। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর দ্বিতীয় স্বামী বলেও যোগ করেন ওসি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর