জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়েছে: তারেক রহমান  

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়েছে: তারেক রহমান   
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহত পরিবারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ’১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যত্থানে জুলাই যোদ্ধারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন।’

রোববার ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের পরিবারদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন তিনি।

দেশের জন্য জুলাই যোদ্ধাদের অবদানের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি আগামী দিনে সরকার গঠনে সক্ষম হলে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে জুলাই যোদ্ধাদের দেখভাল করার জন্য আলাদা একটি ডিপার্টমেন্ট (শাখা) তৈরি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের সময়ে হাজার হাজার মানুষ গুম-অপহরণের স্বীকার হয়েছে। অগণিত পরিবার সব হারিয়ে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩০ হাজার । এদের মধ্যে ৫০০ মানুষ আছেন যাদের কারও একচোখ বা কারও দুই চোখ নষ্ট হয়েছে। আবার কেউ পঙ্গু হয়েছেন। যেভাবে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এটিকে একবাক্যে গণহত্যা বলতে পারি।’

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘২০২৪ এর আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক আন্দোলন নয়। এই আন্দোলন ছিল অধিকার হারা গণতন্ত্রকামী মানুষের গণআন্দোলন।’

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালকে যদি সুসংহত করতে হয়, তাহলে দেশের সব নারী-পুরুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অবশ্যই প্রয়োজন।’

যারা স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে পরিণত করতে চায়, তাদের সম্পর্কে স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।

তিনি আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে স্বজন হারানোদের ও আহতদের কষ্ট কোনো কিছু দিয়ে মোচন করা সম্ভব নয়। তবে দুই ভাবে আমরা আহতদের ক্ষতিপূরণের চেষ্টা করে যেতে পারি। এক. রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা দুই. যে উদ্দেশ্য নিয়ে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন, সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা অর্থাৎ প্রত্যেকটি মানুষের রাজনৈতিক ও যোগ্যতা অনুযায়ী অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।’

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হই, তাহলে এভাবেই আমাদের শোক সমাবেশ আর শোকগাথা চলতে থাকবে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad