জিয়াউল আহসানের অভিযোগ গঠন প্রশ্নে আদেশ ১৪ জানুয়ারি

জিয়াউল আহসানের অভিযোগ গঠন প্রশ্নে আদেশ ১৪ জানুয়ারি
সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানে। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

আওয়ামী লীগ শাসনামলে সরকারের মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতায় গুম এবং হত্যার ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে কিনা, সে বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি আদেশ দেওয়া হবে।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদেশের এ দিন ধার্য করে। ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।

এর আগে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের মতে, ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জিয়াউল আহসান র‍্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক এবং এডিজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ সময় বল প্রয়োগ করে অসংখ্য গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

এছাড়া তার সরাসরি নির্দেশ বা অনুমোদনে তারই বিশ্বস্ত র‍্যাব সদস্যরা অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধ করতো বলে অভিযোগ করেছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশন বলছে, ২০০৯ সালে সেনাবাহিনীর মেজর থাকা অবস্থায় র‍্যাবে পোস্টিং পাওয়ার পর থেকে আসামি জিয়াউল আহসান বিভিন্ন অন্যায় কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। ফলে ২০২৪ সালে মেজর জেনারেল হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরের আগ পর্যন্ত তাকে কখনোই মাতৃবাহিনী বা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ফিরতে হয়নি।

আওয়ামী সরকারের আমলে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন বাহিনী বা সংস্থায় কাজ করেছেন। পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় কোর্স বা প্রশিক্ষণ গ্রহণ না করে এবং কোনো ব্যাটালিয়ন, ব্রিগেড বা ফর্মেশন কমান্ডের অভিজ্ঞতা ছাড়াই জিয়াউল মেজর জেনারেল পর্যন্ত পদোন্নতি পান, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবময় পেশাদারিত্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad