জামিন হয়নি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের

জামিন হয়নি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের
সাংবাদিক আনিস আলমগীর | ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি টাইমস অব বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিন আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ও হয়রানির উদ্দেশ্যে তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

শুনানিতে আরও বলা হয়, এজাহারে আসামির নাম উল্লেখ থাকলেও তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন। তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক।

আরও পড়ুন

এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তিতে তাকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

এর আগে, গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর ছাড়াও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে আসামি করা হয়।

মামলায় গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দী রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। তবে তার অনুসারীরা দেশে থেকে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করে আসছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের পক্ষে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন।

এজাহার অনুযায়ী, গত ১৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাদী আরিয়ান আহমেদ উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১১ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডের একটি বাসায় বসে মোবাইলে দেখতে পান, আসামিরা ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের পাঁয়তারা করছেন। এসব পোস্টের ফলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা অনুপ্রাণিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad