জামায়াত জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানের কথা ছিল।
১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ একথা নিশ্চিত করেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় ১১ দলের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিকাল সাড়ে ৪টায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
ওই সংবাদ সম্মেলন থেকেই জোটের প্রার্থিতা ঘোষণা করা হতে পারে। জানা গেছে চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কাঙ্খিত আসন না পাওয়ায় বেঁকে বসেছে।
তাই শেষ পর্যন্ত জামায়াত জোটে ১০ দল নাকি ১১ থাকছে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। যদিও এ সংকট কাটিয়ে উঠতে মঙ্গলবার রাতেও দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে দলগুলোর মধ্যে।
দল দুটির একাধিক সূত্র বলছে, জামায়াত শেষ পর্যন্ত ৪৫ টি আসন ইসলামী আন্দোলনকে দিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু ইসলামী আন্দোলনের সর্বশেষ চাওয়া ৬০টি আসন।
এদিকে, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিতে আসন ভাগাভাগি খুব একটা সমস্যা নেই। মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও সেটি সংকটের পর্যায়ে নেই।
এছাড়া শেষ সময়ে এসে গত এ জোটে যুক্ত হওয়া কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লেবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সঙ্গেও আসন সমঝোতা হয়ে গেছে।


