জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট ২০২৭ সালের মধ্যে শূন্যে নামানোর লক্ষ্যে বিশেষ রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ। এ ছাড়াও যেসব কলেজে সঠিকভাবে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স পরিচালিত হবে না, সেসব কোর্স বন্ধ করা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি। শনিবার ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
এ সময় উপাচার্য বলেন, ‘যত্রতত্র স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স খোলা হয়েছে। অনেক কলেজে শিক্ষক ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই, এগুলো আমরা রিভিউ করছি।’
উপাচার্য জানান, শনিবার বেলা ১১টায় সারা দেশের ১৩৮টি কেন্দ্রে ঘণ্টাব্যাপী এমসিকিউ পদ্ধতিতে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের মোট ৮৮০টি কলেজে ৩১টি বিষয়ে ভর্তির জন্য এ বছর চার লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
৩৭৫টি সরকারি কলেজের দুই লাখ ৭০ হাজার ৫২০টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে তিন লাখ ৯৪ হাজার ২২৯টি এবং ৫০৫টি বেসরকারি কলেজের এক লাখ ৮২ হাজার ৩৫৫ আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৫৮ হাজার ৯১৯টি।
যে ১৩৮টি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে রয়েছে ১৮টি, ঢাকা বিভাগে ২৭টি, বরিশাল বিভাগে ১৩টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩টি, খুলনা বিভাগে ১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ১৭টি, রংপুর বিভাগে ১৩টি এবং সিলেট বিভাগে ৯টি কেন্দ্র রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মো. লুৎফর রহমান, কোষাক্ষাধ্য এ টি এম জাফরুল আযম, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন ফকির রফিকুল আলম, স্নাতকর্পূব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন মো. আশেক কবির চৌধুরী, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এনামুল করিম, ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন সেলের সচিব আলী জাফর চৌধুরী।


