- লাইভ বন্ধ/ ১৬:২৫
জাকসু: রোববার ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
জাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষে ১০, ১১, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণ প্রস্তুতি, ভোট গ্রহণ ও গণনা কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।’
‘তারা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে ও নির্ঘুম রাত কাটিয়ে এখন পরিশ্রান্ত। এ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকেই মানসিকভাবে পরিশ্রান্ত।’
‘সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আগামীকাল (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস, ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,’ বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এতে আরও জানানো হয়, ‘তবে এ দিন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রাখতে রোববার ভর্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলো খোলা থাকবে।’
‘সোমবার ক্লাস ও অফিস যথারীতি খোলা থাকবে, তবে পূর্বনির্ধারিত সব চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত থাকবে,’ উল্লেখ করা হয় এতে।
- ১৪: ৫০
ফলাফল জানা যাবে সন্ধ্যায়
জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শনিবার ভোট গণনার তৃতীয় দিনে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ।
এর আগে এদিন দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সদস্য লুৎফল এলাহী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ভোট গণনা ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বেলা ২ টা থেকে আড়াইটা নাগাদ গণনা শেষ হবে। তবে কিছু প্রক্রিয়াগত কারণে ফলাফল ঘোষণা করতে সন্ধ্যা হবে।’
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ হলের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথমে মেশিনে গণনার পরিকল্পনা থাকলেও পরে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে বিতর্কের কারণে হাতে ব্যালট গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এবার জাকসুর নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। কমিশনের হিসাবে প্রায় ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

- ১৩:২৫
ফলাফলের জন্য অপেক্ষা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনার আরও অগ্রগতি হয়েছে। শনিবার ভোট গণনার তৃতীয় দিনে ভোট গণনার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সদস্য লুৎফল এলাহী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোট গণনা ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বেলা ২ টা থেকে আড়াইটা নাগাদ গণনা শেষ হবে। তবে কিছু প্রক্রিয়াগত কারণে ফলাফল ঘোষণা করতে সন্ধ্যা হবে।’

প্রভিসি (শিক্ষা) ড. মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোট গণনা বিলম্বিত হচ্ছে। তার মূল কারণ– অদক্ষতা এবং অনভিজ্ঞতা।’
এদিকে জনসংযোগ অফিসার মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ হলের আর মাত্র ৫০ টি ব্যালট গণনা করা বাকি রয়েছে।
- ১২:১০
২১টি পদে এগিয়ে ছাত্রশিবির
জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। ইতোমধ্যেই ১৫ হলের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। বাকি আছে আরও ছয়টি হল।
দ্রুত আরও তিনটি হলের ভোট গণনা শেষ হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা শেষ হওয়া ১৫ হলের অনানুষ্ঠানিক ফল অনুযায়ী জাকসুর ২৫ পদের ২১টিতেই এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির।
জানা যায়, ভিপি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক ও সমাজসেবা সম্পাদক এই চারটি পদ ব্যতীত বাকি ২১টি পদে ছাত্রশিবির এগিয়ে রয়েছে।
ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আরিফ উল্লাহ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতুর মাঝে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে জিতু বেশ এগিয়ে আছেন।

শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ না হওয়ায় এমন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মনোনয়ন পাওয়ার আগে তেমন পরিচিতি ছিলেন না তিনি। ছিলেন না শাখা শিবিরের কোনো পদেও।
নির্বাচনের ফল প্রকাশ কখন হবে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম বলেন, ‘আশা করছি আজ (শনিবার) দুপুর ২টার মধ্যেই ফল ঘোষণা সম্ভব হবে।’
দৃশ্যত, বৃহস্পতিবার জাকসুর নির্বাচন শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন দফায় দাফায় ফলাফল ঘোষণার সময়সীমা জানালেও এখনও ভোট গণনা শেষ হয়নি।
- ১১:০০
ফলাফলের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শনিবার তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। প্রায় ৩৫ ঘণ্টা পার হলেও এখনো গণনা শেষ হয়নি।
এদিকে ফলাফল জানার জন্য রাতভর নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে দীর্ঘ প্রতীক্ষা করেন শিক্ষার্থীরা। অনেককে চেয়ারে ও মাদুর বিছিয়ে রাত কাটাতে দেখা যায়।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গণনা শুরু হলেও রাত ১টা পর্যন্ত ৮টি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা বাকি ছিল। এর আগে হল সংসদের ভোট গণনা শেষ হয়।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা হয়েছে। তবে ৮টি কেন্দ্রের ফলাফল এখনও গণনা করা হয়নি।

জাকসু নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের ভোট গণনার প্রথম ধাপে ৯টি হলের ভোট গণনা চলছে।
এই হলগুলো হলো: বেগম সুফিয়া কামাল হল, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল, মীর মশাররফ হোসেন হল, শহীদ সালাম-বরকত হল, নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল, খালেদা জিয়া হল, শহীদ রফিক-জব্বার হল, তারামন বিবি হল এবং জাহানারা ইমাম হল।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ হলের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে মেশিনে গণনার পরিকল্পনা থাকলেও পরে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে বিতর্কের কারণে হাতে ব্যালট গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১০: ১০
এই রায় আমাদের মানতে হবে: ইকরা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে প্রকাশ্য ‘অনিয়ম ও কারচুপির’ অভিযোগ থাকলেও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এই রায় মেনে নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন শাখা ছাত্রদল মনোনীত প্যানেলের নারী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী আঞ্জুমান ইকরা।
শুক্রবার সামাজিক ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
ইকরা তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের উর্ধ্বে সুষ্ঠু ভোটের জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে দায়বদ্ধ ছিলাম। কিন্তু প্রশাসনের প্রকাশ্য অনিয়ম, কারচুপির পরও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এই রায় আমাদেরকে মেনে নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাকসু নির্বাচনে ভরসার জায়গা থেকে এজিএস হিসেবে নির্বাচিত করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিয়েছে এ জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।’
‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দায়িত্বশীলদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে নিজেদের ভুলগুলো পুনর্বিবেচনা করে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করা। আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে একটা নতুন ক্যাম্পাস বিনির্মাণ করবো ইনশাআল্লাহ,’ বলেন ইকরা।
- ০৬:২০
তৃতীয় দিনে গড়াল ভোট গণনা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা কার্যক্রম শনিবার তৃতীয় দিনে গড়াল। প্রাপ্ত খসড়া বেসরকারি ভোটের ফলাফলে দেখা যায় সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৮ শ’র বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম এবং সহ- সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ছাত্রশিবিরের ফেরদৌস আল হাসান এগিয়ে আছেন।
প্রাপ্ত খসড়া বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত–
১০ নং হল (সাবেক শেখ মুজিব হল): ভিপি পদে জিতু (স্বতন্ত্র)- ১৭৫ ও আরিফ উল্লাহ (ছাত্রশিবির)-১৩০ ভোট, বঙ্গমাতা হল কেন্দ্র: ভিপি পদে জিতু -৮৯ ও আরিফ -৮১ ভোট, ফজিলতুন্নেছা হল: ভিপি পদে জিতু ২৫২ ও আরিফ ৯৫ ভোট, শহীদ রফিক-জব্বার হল: ভিপি পদে জিতু ১৩৭ ও আরিফ ১৪১ ভোট, এমএমএইচ হল: ভিপি পদে জিতু: ১১১ ও আরিফ:১১৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

এবার জাকসুর নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। কমিশনের হিসাবে প্রায় ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। শনিবার নিয়ে তৃতীয় দিনের মতো গণনা চলছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শুরু হয়েছিল। এ দিন ভোট গ্রহণ সকাল ৯টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে। ভোট গণনাকালে শুক্রবার সকালে জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে মারা যান। তার মৃত্যু ও ভোট গণনায় বিলম্বের কারণে ছাত্র ও শিক্ষক মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবারই নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও কারচুপির’ অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছে ছাত্রদল, চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র কয়েকজন প্রার্থী। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবির জাকসু নির্বাচনে ‘ত্রুটি-বিচ্যুতি ও অনিয়ম’ দেখলেও সার্বিকভাবে ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু হয়েছে বলে মনে করছে।
- ০২:১৮
জাতীয়বাদী শিক্ষক ফোরাম ‘পক্ষপাতীত্ব’ দেখছে
জাকসুতে ‘একটি দলকে’ জেতানোর জন্য প্রহসনের নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।
শুক্রবার রাতে দেওয়া গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

বিবৃতিতে সংগঠনটি বলছে, ‘নির্বাচন কমিশনের বিশেষ রাজনৈতিক মতাবলম্বী সদস্যদের ও তাদের দোসর প্রভোস্টদের অপতৎপরতায় জাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বয়কট করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।’
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ‘বিস্ময়করভাবে হল সংসদ নির্বাচনের ব্যালটে ক্রমিক নম্বর ও মুড়ি থাকলেও জাকসুর ব্যালটে এগুলো ছিল না। অথচ ক্রমিক নম্বর হলো ভোটের বৈধতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যালট পেপারে থাকা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা, যা গণনার জন্য ব্যবহার করা হয়। এমনকি পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকায় ছবি সংযুক্ত আকারে সরবরাহ করা হয়নি, যা ভোটার শনাক্তকরণে জটিলতা সৃষ্টি করেছে।’
‘ভোটার তালিকায় অসংগতি থাকায় বহু শিক্ষার্থী নিজ হলে ভোট দিতে পারেননি। দ্বৈত ভোটদানের মতো নির্বাচনী জালিয়াতি প্রতিরোধের জন্য নির্বাচনী অমোচনীয় কালি ব্যবহার করা হয়নি অনেক ক্ষেত্রেই। নির্বাচনের আগের রাতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ও নির্বাচনের দিন বিভিন্ন অনিয়ম একই সূত্রে গাঁথা,’ বলেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জিতিয়ে আনার জন্য আয়োজিত এই প্রহসনের নির্বাচন বলে অভিযোগ করেন তারা।
ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনের ঠিক আগের রাতে অসত্য তথ্য প্রকাশ করা হয় দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সদস্য ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা সেটি ফলাও করে প্রচার (ভাইরাল) করে। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে ওই সময় রিটার্নিং অফিসারদের তত্ত্বাবধানে শুধু ব্যালট বাক্সসহ অন্য সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়। ব্যালট পেপার বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানো হয় নির্বাচনের দিন অর্থাৎ পরদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে। এ ধরনের ঘৃণ্য মিথ্যাচারের মাধ্যমে নির্বাচনের আগেই ছাত্রদলকে কোণঠাসা করে ফেলা হয়।’
- ০০: ১০
ছাত্রশিবিরে বিক্ষোভ, ছাত্রদলের প্রতি অভিযোগ
জাকসু নির্বাচনে ‘অব্যবস্থাপনা ও ফলাফল প্রকাশে বিলম্বের প্রতিবাদে’ রাজধানীতে ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ বলেন, ‘৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় প্রবেশ করেছে। ঢাবির শিক্ষার্থীরা জুলাই অভ্যুত্থানে ভূমিকা রাখা এবং তাদের জন্য কাজ করা প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করেছে। আগামীতেও দেশের সকল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরতে চায়।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা মনে করেছিলাম ডাকসুর মতো জাকসুতেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রশাসন “টালবাহানা” শুরু করেছে। “ছাত্রদল বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল-সমাবেশ” করেছে। ইতোমধ্যে একজন বহিরাগত ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।’
তার আরও অভিযোগ, “লন্ডনের প্রেসক্রিপশনে” বিএনপিপন্থী কোন কোন শিক্ষক নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাদের প্রতি ধিক্কার জানাই। জুলাইয়ের আন্দোলনে শিক্ষকদের বিরাট ভূমিকা ছিল। আমরা আশা করব তারা জুলাইয়ের স্পিরিট ধারণ করে কাজ করবেন।’

এদিকে শুক্রবার রাতে সাড়ে ৯টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ইসলামী ছাত্রশিবির নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে নিচে প্রেস ব্রিফিংয়ে ইসি সদস্য, অধ্যাপক মাগরুহী সাত্তারের পদত্যাগের নিন্দা জানিয়েছেন।
ব্রিফিংয়ে ছাত্রশিবিরের এজিএস পদপ্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘মাগরুহী সাত্তার যিনি নির্বাচন কমিশনের সদস্য, তিনি জাহাঙ্গীরনগর জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের চেয়ারম্যান। তার এই পদত্যাগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক।’
তিনি আরো বলেন, ‘মগরুহী সাত্তার নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই পদক্ষেপটি গ্রহণ করেছেন। কিন্তু আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা নির্বাচনকে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেব না।’
- ২২:০০
পাঁচটি হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী এগিয়ে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে চলছে ভোট গণনার কাজ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২১ হলের মধ্যে ১৭টি হলের ভোট গনণার কাজ শেষ হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ হলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানা গেছে।
নির্বাচনে মীর মশাররফ হোসেন হলের ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়ের শাবাব। তিনি ১৫১ ভোট পেয়েছেন। জুবায়ের শাবাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী। এ হলে জিএস পদে জয়ী হয়েছেন শাহরিয়া নাজিম রিয়াদ । তিনিও স্বতন্ত্র থেকে লড়াই করেছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১৯২। এজিএস পদে জয় পেয়েছেন আরাফাত, তিনি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।
শহীদ সালাম-বরকত হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ৪৯ তম আবর্তনের রসায়ন বিভাগের মারুফ। ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও সংগঠনের প্যানেলে তাকে রাখা না হলে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করেন। এ হলে জিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাসুদ রানা মিষ্টু জয়ী হয়েছেন।

১০ নম্বর ছাত্র হল (সাবেক মুজিব হল) ভিপি পদে আসিফ মিয়া ও জিএস পদে মেহেদি হাসান জয়ী হয়েছেন। তারা দু’জনই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। এ হলে এজিএস পদে নির্বাচিত হওয়া নাদিম মাহমুদ শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।
কবি নজরুল ইসলাম হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হওয়া মো. রাকিবুল ইসলাম স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করেছেন। তবে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন আলী আহমদ স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করলেও তিনি শিবির হিসাবে পরিচিত। এ হলে এজিএস পদে নির্বাচিত হওয়া লাবিব স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করেছেন।
আ.ফ.ম. কামালউদ্দিন হল সংসদ ভিপি পদে জয় পেয়েছেন দর্শন বিভাগে জিএম রায়হান কবীর ও জিএস পদে আবরার শাহরিয়ার। তারা দু’জনই স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করেছেন।
আলবেরুনি হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হওয়া মুন্তাসির খান অর্পন স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করেছেন।
এবার জাকসুর নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। কমিশনের হিসাবে প্রায় ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয়েছিল। এ দিন ভোট গ্রহণ সকাল ৯টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে।
- ২১:২৮
নির্বাচন কমিশনার মাফরুহী সাত্তারের পদত্যাগ
জাকসুর নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে কলাভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজেই এ তথ্য জানান।
অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি।
জাকসু নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না বলে তিনি মন্তব্য করেন। অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার বলেন, ‘আমি দিনরাত না ঘুমিয়ে আমি চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থতার দায় নিয়ে আমি পদত্যাগ করছি।’

‘শেষ পর্যন্ত এই ব্যর্থতার দায়ভার আমি আর নিতে পারছি না। আমাকে চাপ দেওয়া হয়েছে পদত্যাগ না করার জন্য। মারাত্মক কিছু ত্রুটি দেখা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায়,’ যোগ করেন তিনি।
অধ্যাপক মাফরুহী আরো বলেন, ‘নির্বাচনে অনেক রকম অনিয়ম আছে। কিন্তু আমি আমার পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব স্পষ্ট থাকার চেষ্টা করেছি, ব্যালট পেপার এইভাবে ম্যানুয়ালি (সনাতন পদ্ধতিতে) ভোট প্রদান করার পক্ষপাতী আমি ছিলাম না।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে আমি দেখেছি। এসব আমি মনে করি, একজন নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে আমারও দায়ভার আছে। আমরা দেখেছি, বিভিন্ন রকম অব্যবস্থাপনা এবং ভোট গণনার বিলম্ব হওয়ার কারণে আজকে আমাদের মাঝে একজন শিক্ষক নেই। এটি একটি অপূরণীয় ক্ষতি। আমি দায়ভার নিতে পারছি না, সেজন্য আমি এখন পদত্যাগ করলাম।’
- ২০:৪৪
অবশেষে কেন্দ্রীয় ভোট গণনা শুরু, নিরবিচ্ছিন্নভাবে চলবে
দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা পর অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ভোট গণনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এ ভোট নিরবিচ্ছিন্নভাবে চলবে।
এদিকে, সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনের জরুরি বৈঠক শেষে উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এখনই আমরা নির্বাচন কমিশনের আদেশ অনুযায়ী ভোট গণনা শুরু করব।’
সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই কষ্টের কথা ইতিহাস হয়ে থাকবে, কারণ ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন হচ্ছে।’
ব্যালট পেপার কীভাবে গণনা হবে, সে প্রসঙ্গে উপচার্য বলেন, ‘ব্যালট পেপার আমরা হাতেই গণনা করে যাব। আশা করি, খুব শিগগিরই নির্বাচন কমিশন গণনা শেষ করে আপনাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন।’
এদিকে, জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনায় লোকবল বাড়ানো হয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘ভোট গণনা বন্ধ করা হয়েছে, এটি সঠিক নয়। সহকর্মী মারা যাওয়ায় কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল।’
এদিন সন্ধ্যায় সংবাদিকদের তিনি আরো জানান, ভোট গণনায় লোকবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। গতি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। শুক্রবার রাতের মধ্যেই গণনা শেষ করে ফলাফল প্রকাশের আশা করছেন তারা।
ভোট গণনায় দীর্ঘ সময়ের কারণ হিসেবে প্রক্টর জাকির আহমেদ জানান, ওএমআর দিয়ে গণনা বাতিল করায় ম্যানুয়ালি (সনাতন পদ্ধতিতে) কাজ চলছে। নির্ভুল ফলাফলের জন্য সময় বেশি লাগছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব একেএম রাশিদুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকের লোকবল দিয়ে বিকাল নাগাদ হলভিত্তিক ভোট গণনার হিসাব শেষ করার কথা ছিল। রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে সম্পূর্ণ গণনা শেষ করে বেসরকারিভাবে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল। তবে হঠাৎ জরুরি বৈঠকের কারণে গণনা বন্ধ রাখা হয়েছে।’
এর আগে শুক্রবার বিকাল ৫টার পর হঠাৎ করে হলগুলোতে ভোট গণনা স্থগিত করা হয়। ডাকা হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের জরুরি বৈঠক। পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের প্রতি ধৈর্য ধারণের আহ্বানও জানানো হয় এ সময়।
এবার জাকসুর নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। কমিশনের হিসাবে প্রায় ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয়েছিল। এ দিন ভোট গ্রহণ সকাল ৯টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে।
ছাত্রদল ছাড়াও চারটি প্যানেল ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ভোট কারচুপির’ অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতেই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়। তবে ছাত্রশিবির বলছে, ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে নির্বাচন ‘সুষ্ঠু হয়েছে’। তারাও ৬৭ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে মনে করছে।
- ১৯:২৫
২৪ ঘণ্টায়ও শুরু হয়নি কেন্দ্রীয় ভোট গণনা, পদ্ধতি নিয়ে বৈঠকে ইসি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পরও কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। পোলিং অফিসারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ভোট গণনা শুরু করার অপেক্ষায় রয়েছেন।
প্রো-ভিসি ড. সোহেল আহমেদ (প্রশাসন) শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভোট গণনার পদ্ধতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে বৈঠকে বসেছেন ছাত্র নেতারা। এরপর শুরু হবে কেন্দ্রীয় ভোট গণনা।
এ পর্যন্ত ১৮টি হলে ভোট গণনা হয়েছে, দু’টি হলে গণনা এখনো বাকি বলেও জানান তিনি।
ছাত্রশিবিরের জিএস প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম ফলাফল প্রকাশের সময় জানতে চাইলে প্রো-ভিসি বলেন, ‘গণনা শেষ হওয়ার পরেই ফল ঘোষণা করা হবে। সনাতন পদ্ধতিতে না মেশিনে ভোট গণনা হবে, সে বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।’

এদিকে, নির্বাচন ককর্মকর্তার জানান, হল সংসদের ভোট গণনা এখনো চলছে। প্রথমে ওএমআর মেশিনে ভোট গণনার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সনাতন পদ্ধতিতে গণনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেভাবেই কাজ এগোচ্ছে।
এদিন সন্ধ্যায় কবি নজরুল ইসলাম হলের পোলিং অফিসার উজ্জল কুমার মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, বিকল ৩টা থেকে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনার জন্য তারা অপেক্ষায় রয়েছেন। কিন্তু এ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে তারা এখনো কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু করতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত হয় জাকসুর ভোটগ্রহণ। এরপর রাতভর চলে গণনা। ভোট গণনাকালে শুক্রবার সকালে রিটার্নিং অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস অসুস্থ হয়ে মারা যান। এতে ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে দেখা দেয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।
এরই মধ্যে সহকর্মীর মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অব্যবস্থাপনা’কে দায়ী করেছেন নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সুলতানা আক্তার।
তার মতে, চলতি সনাতন পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশে ‘তিন দিন লাগবে!’
- ১৮:০০
‘আপনারা কি শিক্ষকের লাশের ওপর দিয়ে ভোটের রেজাল্ট চান?
জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশে সনাতনী পদ্ধতি নয়, বরং ওয়েমার মেশিনে ভোট গণনার দাবি করেন নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সুলতানা আক্তার।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রশ্ন রাখেন,
‘আপনারা কি শিক্ষকের লাশের উপর দিয়ে এই রেজাল্ট চান? আমি আমার সহকর্মীর লাশের উপর দিয়ে ভোট গননা করতে চাই না।’
শুক্রবার বিকাল ৪ টায় নির্বাচন কমিশনের ভোট গণনার কক্ষের মাইকে এই দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাতভর ভোট গণনার পর শুক্রবার সকালে অসুস্থ হয়ে মারা যান পোলিং অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক সুলতানা বলেন, ‘আমি আমার সহকর্মীর মৃত্যুতে ভোট গণনা বন্ধ চাই, সনাতনী নয় ওয়েমার মেশিনে ভোট গণনার জোর দাবি করছি।’
‘মতবিনিময় সভায় কেন আমাদের বলা হয়েছিল যে, ভোট গণনার সময় আসতে হবে না, আপনারা শুধু রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলেই হবে। আপনারা এসে শুধু রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর দিয়ে যাবেন।’
‘আমি আমার একজন পোলিং কর্মকর্তাকে কল দিয়েছি তিনি আমাকে বলেন, “ম্যাডাম আপনি কি আমাকে চাকর পেয়েছেন?” পোলিং কর্মকর্তা অসুস্থ হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
‘পোলিং কর্মকর্তা না আসলে নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ভোট গননা শুরু করতে পারব না।’ ‘আপনারা আর কত সহকর্মীকে অসুস্থতা দেখতে চান । এই সনাতনী পদ্ধতিতে যদি ভোট গননা করতে থাকে তাহলে তিনদিন লাগবে,’ বলেন অধ্যাপক সুলতানা।
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যদি সনাতনী পদ্ধতিতে ভোট গণনা করবেন, তাহলে আমাদের আগেই জানালেন না কেন? আমরা তাহলে হলেই ভোট গণনা করতাম। আমরা ওয়েমার মেশিনে ভোট গণনা করতে পারব না। আমি আমার সহকর্মীর মৃত্যুতে ব্যথিত, ক্ষুব্ধ। এই মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অব্যবস্থাপনা দায়ী। আমি এই মৃত্যুর বিচার চাই।’
- ১৭:০০
ভোট ‘বানচালের চেষ্টা’ ব্যর্থ: ছাত্রশিবির
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন ‘বানচালের চেষ্টা’ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্র সধারণ সম্পাদক জিএস পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।
শুক্রবার বিকালে সাংবাদিকদের তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘একদল নেতা “দায় চাপিয়ে দাও” সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে নির্বাচন “প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা” করেছেন। প্রাক্তন নেতাদের কমিশনে অনিয়মিত মিটিং, ছাত্রদল নেতাদের অবৈধ কার্যক্রম, হলে লিফলেট বিতরণ, সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণ ও জোরপূর্বক কেন্দ্রে প্রবেশের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া “বানচালের চেষ্টা” ব্যর্থ হয়েছে।’

তিনি দাবি করে আরো বলেন, ‘কিছু শিক্ষক ও সংগঠনের পক্ষ থেকে “ভোট কারচুপির” অভিযোগ আনা হলেও তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্যই এ অভিযোগ খণ্ডন করেছে।’
জাকসু নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল বলে জানান মাজহারুল।

‘আমরা চেয়েছিলাম শিক্ষার্থীরা যেন স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে এবং কারচুপির সুযোগ কেউ না পায়। এজন্য বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনকে শক্ত অবস্থান নিতে বাধ্য করেছিলাম,’ বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। এতে পরিষ্কার যে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।’
দিনশেষে শিক্ষার্থীদের আস্থাই নির্বাচনের আসল শক্তি বলেও উল্লেখ করেন মাজহারুল।
‘ভালো কাজ করলে শিক্ষার্থীরাই আপনাকে বেছে নেবে, নতুবা প্রত্যাখ্যান করবে। “ভোট বানচালের” পথ বেছে নিলে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া কিছুই অপেক্ষা করে না,’ যোগ করেন ছাত্রশিবির নেতা।
তিনি গণনাকাজে জনবল বাড়ানো এবং দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
- ১৫:২৮
ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ, রাত ১১টার মধ্যে ফল প্রকাশ
ভোটগ্রহণের ১৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো গণনা শেষ করতে না পারায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে অস্থিরতা বাড়ছে। ম্যানুয়াল পদ্ধতি ব্যবহারে ভোগান্তি ও অপেক্ষা বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন প্রার্থী ও ভোটাররা। এমন বিলম্বের নজরে আছে বলে জানিয়েছেন জাবি উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি দেখবে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হলের পোলিং অফিসার ও সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানান তিনি।
জাবি উপাচার্য বলেন, ‘ভোট গণনা বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি নজরে আছে, নির্বাচন কমিশনার বিষয়টি দেখবেন। আমি নিজেও যাব, কথা বলব, যাতে করে দ্রুত গণনার কাজ শেষ করা হয়।’
এ সময় নির্বাচন কমিশনের সদস্য মো.মাফরুহী সাত্তার বলেন, ‘এখন আটটি টেবিলে ভোট গণনা হচ্ছে, সন্ধ্যার আগেই ১০টিতে হবে। আশা করি দ্রুত ফলাফল দেওয়া হবে।’
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব এ কে এম রাশিদুল আলম আশা করছেন, বেসরকারিভাবে রাত ১১টার মাঝে ফল জানাতে পারবেন।

এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জাকসু নির্বাচনে ভোট গণনা করার সময়ই ওই শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার এমন মৃত্যুতে নির্বাচন কমিশনকে আংশিক দোষারোপ করে চারুকলা ৫০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী আঞ্জুমান বলেন, ‘এমন পরিস্থিতির জন্য আমরা মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা তাকে অনেক শ্রদ্ধা করতাম, যেকোনো সাহায্যের জন্য তার কাছে যেতাম।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন হাতে ব্যালট পেপার গণনা করে এতক্ষণ রিটার্নিং অফিসারদের হয়রানি করেছে। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমরা জানি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ হাজার ভোটারের ভোট গণনা করা হয়েছে মেশিনে। ১২ ঘণ্টায় তারা ফলাফল জানিয়েছে। কিন্তু আমাদের এত কম ভোটারের ভোট গণনা করছে ম্যানুয়ালি। এত সময় পেরোলেও ফলাফল পাওয়া যায়নি। এটি প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের অদক্ষতার প্রমাণ। শিক্ষক, প্রার্থী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের এমন হয়রানি তারা না করলেও পারত।’
- ১৫:১৫
তিনটি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাকি, রাত ১০টার মধ্যে ফল প্রকাশ
জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের এখনও তিনটি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাকি রয়েছে। ভোটের ফলাফল রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম। এরই মধ্যে শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ১৮টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হয়।
ভোট গণনার সময় অসুস্থ হয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক পোলিং কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং নির্বাচনে পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় শেষ হয় এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ব্যালট বাক্স নির্বাচন কমিশনে নেওয়া হয় রাত সাড়ে ৮টার দিকে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্যানেলগুলোর আপত্তির মুখে ভোট গণনার কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয় ওএমআর মেশিন। ফলে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গোনা হচ্ছে। আর সে কারণেই এখনো চলছে ভোট গণনার কাজ।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী মীর মশাররফ হোসেন হলের ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়ের শাবাব। ১৯১ ভোট পেয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা।
জুবায়ের শাবাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোট গণনার যে গতি রয়েছে সে অনুযায়ী দুপুরের মধ্যে শেষ হবে হল সংসদের ফলাফল নির্ধারণ। এরপর শুরু হবে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা। ম্যানুয়াল পদ্ধতির কারণে স্বাভাবিকভাবে এটিও শেষ করতে সময় লাগবে। ধারণা করা হচ্ছে সন্ধ্যার পর জাকসু নির্বাচনের ফলাফল দেওয়া যাবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮০৫ জন। যাদের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৮ হাজার ১৬ জন। সে হিসেবে ভোটের হার ৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ।
অপরদিকে, জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের চারটি প্যানেল। তারা দ্রুত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়।
পোলিং অফিসার জান্নাতুলের অশ্রুসজল জানাজা
- লাইভ শুরু/ ১৫:০০
জাকসু নির্বাচনে ভোট গণনার সময় অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারানো পোলিং কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুমা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।
জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

তার দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হবে পাবনার পৈতৃক নিবাসে।
জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতিলতা হলের পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
তার এমন মৃত্যুতে নির্বাচন কমিশনকে আংশিক দোষারোপ করে চারুকলা ৫০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী আঞ্জুমান বলেন, ‘এমন পরিস্থিতির জন্য আমরা মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা তাকে অনেক শ্রদ্ধা করতাম, যেকোনো সাহায্যের জন্য তার কাছে যেতাম।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন হাতে ব্যালট পেপার গণনা করে এতক্ষণ রিটার্নিং অফিসারদের হয়রানি করেছে। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমরা জানি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ হাজার ভোটারের ভোট গণনা করা হয়েছে মেশিনে। ১২ ঘণ্টায় তারা ফলাফল জানিয়েছে। কিন্তু আমাদের এত কম ভোটারের ভোট গণনা করছে ম্যানুয়ালি। এত সময় পেরোলেও ফলাফল পাওয়া যায়নি। এটি প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের অদক্ষতার প্রমাণ। শিক্ষক, প্রার্থী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের এমন হয়রানি তারা না করলেও পারত।’
এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জাকসু নির্বাচনে ভোট গণনা করার সময়ই ওই শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বহুল কাঙ্ক্ষিত জাকসু নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ভোট শুরু হয়ে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা। একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় ফল ঘোষণার কথা থাকলেও, পরদিন দুপুর পর্যন্ত তা ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।

দীর্ঘ ৩৩ বছরের খরা কাটিয়ে শুরু হওয়া জাকসুর ভোট নিয়ে রয়েছে সকলের বাড়তি আগ্রহ। উপরন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের একদিন পরেই হওয়ায় জাকসুর ভোটের গুরুত্ব আরো বেড়েছে।
এবার জাকসুতে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছয় হাজার ১০২ জন এবং নারী ভোটার পাঁচ হাজার ৮১৭ জন।
ভোটগ্রহণ উপলক্ষে ১০টি মেয়েদের হল ও ১১টি ছেলেদের হল মিলিয়ে মোট ২১টি হলে স্থাপন করা হয় ২২৪টি বুথ। এ ভোটে পোলিং অফিসার রয়েছেন ৬৭ জন। সহযোগী পোলিং অফিসারও ৬৭ জন। সংশ্লিষ্ট হলের ওয়ার্ডেন রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া হল সংসদের সভাপতি বা প্রভোস্ট পালন করছেন সার্বিক দায়িত্ব।


