প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। আশির দশকের শেষের দিকে ছাত্র রাজনীতির পাঠ চুকিয়ে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে গিয়েছিলেন সরকারি চাকরি করতে, কিন্তু ভাগ্য তাকে আবারও ফিরিয়ে এনেছে রাজনীতিতে। এবার নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি।
চাকরিজীবনে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন সালাহউদ্দিন। এরপর ১৯৯৬ সালে চাকরি ছেড়ে কক্সবাজার জেলা বিএনপির দায়িত্ব নেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপি সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০৮ সালে তিনি জেলে থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে না পারার কারণে তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ নির্বাচন করে বিজয়ী হন। পরে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ২০১০ সালে তাকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।
১৯৬২ সালের ৩০ জুন কক্সবাজারের তৎকালীন চকরিয়া উপজেলার পেকুয়া ইউনিয়নের জন্মগ্রহণ করেন সালাহউদ্দিন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে যথাক্রমে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি অ্যাডভোকেট হিসেবে সনদ অর্জন এবং সপ্তম বিবিএসে প্রশাসন ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকাকালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত থাকায় কারা ভোগ করেছেন সালাহউদ্দিন। তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি। পরে পালন করেছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও। ২০১৫ সালে বিএনপির মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আবারও বিএনপির অন্যতম মুখপাত্র হিসেবে নিয়মিত সালাহউদ্দিন আহমদের স্থিত-ধী পদচারণা দেখেছে দেশবাসী।


